শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি নতুন সংকটের মুখে: বিশ্বব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বিশ্বকে অর্থনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বের বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছে ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বিশ্বব্যাংক চলতি বছরের শেষে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় অনেক দেশকে অতিরিক্ত ব্যয়ে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে। এর প্রভাব হিসেবে বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে শুরু করেছে। ফলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে পূর্বের পূর্বাভাস সংশোধন করতে বাধ্য হয়েছে বিশ্বব্যাংক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হলেও চলতি বছরের শেষে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে আসতে পারে। আর সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে প্রবৃদ্ধি আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, সাম্প্রতিক ইতিহাসে করোনা মহামারির সময় এ ধরনের পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মতবিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন বাহিনী। এর পরপরই হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। অবরোধ আরও কার্যকর করতে প্রণালির বিভিন্ন স্থানে জলমাইনও পেতে রাখা হয়।

১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। পাশাপাশি সার ও রাসায়নিক পণ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারির পর থেকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১২০টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করত, বর্তমানে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ৫ থেকে ৭টিতে। প্রণালির বাইরে আটকে আছে শত শত বাণিজ্যিক জাহাজ।

জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় জ্বালানি বাজারে সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের গড় মূল্য ছিল ৯৪ ডলার, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি।

আরও পড়ুন

জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলায় ২ শান্তিরক্ষী আহত

এ ছাড়া নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক সারবাজারেও। হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ এবং সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় সারের দাম বাড়ছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জ্বালানি ও সারের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে। সংস্থাটির মতে, করোনা মহামারির সময় বিশ্ব অর্থনীতি যে ধরনের চাপের মুখে পড়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিও সেই ধরনের ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্র : আলজাজিরা

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: