শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান চুক্তিতে অগ্রগতি না হলে ফের জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা: হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৫, ২:৩৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইরান চুক্তিতে অগ্রগতি না হলে ফের জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা: হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
ইরান চুক্তিতে অগ্রগতি না হলে ফের জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা: হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে জাতিসংঘের পুরোনো নিষেধাজ্ঞাগুলো আবার চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় দেশগুলো। এই বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ফ্রান্স, ব্রিটেন, জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিকরা।

তারা সম্প্রতি এক বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে জানান, আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে চুক্তিতে ফেরার মতো ইতিবাচক পদক্ষেপ না নিলে 'স্ন্যাপব্যাক' প্রক্রিয়া চালু করা হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইরানের ওপর পূর্বের সব আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আবার কার্যকর হয়ে যাবে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, “আমরা আগস্টের শেষ নাগাদ ইরানের কাছ থেকে স্পষ্ট অগ্রগতি আশা করছি। তা না হলে পারমাণবিক চুক্তির আওতায় থাকা কঠোর নিষেধাজ্ঞাগুলো আবার আরোপের পথে হাঁটব।”

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে সরে দাঁড়ায়। এরপর থেকেই এই চুক্তি কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। চলতি বছরের অক্টোবরে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাই আগস্টের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে আগ্রহী ইউরোপীয় দেশগুলো।

সম্প্রতি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তারপর থেকেই আলোচনা কার্যত ভেঙে পড়ে। যদিও সাম্প্রতিক সময় কিছুটা আলাপ-আলোচনার ইঙ্গিত মিলেছে।

তবে ইরান জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের অধিকার ছাড়বে না। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির এক উপদেষ্টাও স্পষ্ট করে বলেন, “ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে বললে, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো আলোচনা করব না।”

সব মিলিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের উত্তাপ আবারও বাড়ছে, যার প্রভাব পড়তে পারে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: