শিরোনাম
২০২৪ সালে তীব্র গরমে সময়ের আগে জন্মেছে ৫৫১৫ শিশুবিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতনঢাকার সুইডেন দূতাবাসে শেনজেন ভিসার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণাজলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে চলতি মাসেই তুরস্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীঅটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দাম২০২৪ সালে তীব্র গরমে সময়ের আগে জন্মেছে ৫৫১৫ শিশুবিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতনঢাকার সুইডেন দূতাবাসে শেনজেন ভিসার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণাজলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে চলতি মাসেই তুরস্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীঅটোগ্যাসের দামও বাড়লো, রাতেই কার্যকরশ্রমিকদের আন্দোলনে পরাজিত শক্তির উসকানি রয়েছে: রিজভী২ বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: এখনও সৌদির জবাবের অপেক্ষায় ঢাকা২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দাম

মার্কিন নির্বাচনে অর্থ ঢালছেন ধনকুবেররা, শীর্ষে ইলন মাস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মার্কিন নির্বাচনে অর্থ ঢালছেন ধনকুবেররা, শীর্ষে ইলন মাস্ক
মার্কিন নির্বাচনে অর্থ ঢালছেন ধনকুবেররা, শীর্ষে ইলন মাস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে ধনকুবেরদের রাজনৈতিক অনুদানের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে একক ব্যক্তি হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্স-এর প্রধান ইলন মাস্ক।

ফেডারেল নির্বাচন কমিশন এবং ওপেনসিক্রেটসের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনী চক্রে শীর্ষ ৫০ জন দাতা ও রাজনৈতিক সংগঠন মিলে মোট ২৭৭ কোটি মার্কিন ডলার (২.৭৭ বিলিয়ন) অনুদান দিয়েছেন। এর মধ্যে সিংহভাগ অর্থই গেছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রচারণায়।

রোববার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত ওই বিশ্লেষণে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত জমা পড়া অনুদানের তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এতে দেখা গেছে, শীর্ষ ২০ দাতার দেওয়া অর্থ এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের জন্য সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের প্রায় ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ, নির্বাচনি প্রচারে বিজ্ঞাপনের পেছনে যে বিপুল অর্থ ব্যয় হওয়ার কথা, তার বড় একটি অংশই আসছে এই ২০ দাতার কাছ থেকে।

এদিকে, বিজ্ঞাপনের ব্যয় পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডইমপ্যাক্টের হিসাব বলছে, ২০১৮ সালের পর এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল মধ্যবর্তী নির্বাচন।

প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে ব্যয়ের পরিমাণ আগের নির্বাচনগুলোর রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

অনুদানের তালিকায় শীর্ষে থাকা ইলন মাস্কের অর্থের বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনের সিনেট নির্বাচনের প্রচারে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্যাক্সটনকে সহায়তা করতে ২০ কোটি ডলারের বেশি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা) ব্যয় করেছেন মাস্ক।

একই সঙ্গে, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে মাঠপর্যায়ে প্রচার কার্যক্রম গড়ে তুলতেও অর্থ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া, কেনটাকি ও আলাস্কার নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনকেও সহায়তা করেছেন মাস্ক।

তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন শিল্পপতি রিচার্ড ও এলিজাবেথ উহলিন। তারা রিপাবলিকানদের দিয়েছেন প্রায় ১৫ কোটি ডলার। এরপরই রয়েছে রিপাবলিকানপন্থি সংগঠন ওয়ান নেশন। সংগঠনটি অনুদান দিয়েছে ১৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।

প্রযুক্তি বিনিয়োগকারী মার্ক আন্দ্রেসেন ও বেন হোরোউইটজ এবং তাদের প্রতিষ্ঠান আন্দ্রেসেন হোরোউইটজ মিলে দিয়েছেন ১১ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। অন্যদিকে, হেজ ফান্ড বিনিয়োগকারী জেফ ইয়াস দিয়েছেন ১১ কোটি ৪ লাখ ডলার।

প্রযুক্তি ও ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের ব্যক্তিরাও নির্বাচনে বড় অঙ্কের অর্থ দিচ্ছেন। ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যান ও তার স্ত্রী আনা ব্রকম্যান রিপাবলিকানদের দিয়েছেন পাঁচ কোটি ডলার।

অন্যদিকে, লিংকডইনের সহপ্রতিষ্ঠাতা রিড হফম্যান ডেমোক্র্যাটদের দিয়েছেন চার কোটি ১৮ লাখ ডলার। এর মধ্যে এক কোটি ৬৫ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোকে সহায়তা করতে।

ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান রিপল ল্যাবস ও এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ক্রিস লারসেন মিলে দিয়েছেন সাত কোটি ৩১ লাখ ডলার। পাশাপাশি, কয়েনবেস দিয়েছে পাঁচ কোটি ৫৩ লাখ ডলার।

এছাড়া, উইঙ্কলভস ভাইয়েরা ক্যামেরন ও টাইলার রিপাবলিকানদের দিয়েছেন পাঁচ কোটি ৩২ লাখ ডলার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীরা এবারের নির্বাচনে বড় অর্থদাতা হিসেবে উঠে এসেছেন।

রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর কাছ থেকেও বড় অঙ্কের অনুদান এসেছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সমর্থনে মেজরিটি ফরোয়ার্ড দিয়েছে ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

একই উদ্দেশ্যে হাউজ মেজরিটি ফরোয়ার্ড দিয়েছে নয় কোটি ৭২ লাখ ডলার। অন্যদিকে, রিপাবলিকান প্রার্থীদের সহায়তায় আমেরিকান অ্যাকশন নেটওয়ার্ক দিয়েছে ছয় কোটি ৪৩ লাখ ডলার।

এছাড়া, ডেমোক্র্যাটদের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জর্জ ও আলেকজান্ডার সোরোস মিলে ১০ কোটি ৩৪ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন। নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র মাইক ব্লুমবার্গ দিয়েছেন আট কোটি ৪৮ লাখ ডলার। তাদের অনুদান ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনি প্রচারে ব্যয় হচ্ছে।

অন্যদিকে, রিপাবলিকানদের বড় দাতাদের মধ্যে রয়েছেন মরিয়ম অ্যাডেলসন। তিনি দিয়েছেন ছয় কোটি ৭৬ লাখ ডলার। এছাড়া, হেজ ফান্ডের বিনিয়োগকারী পল সিঙ্গার দিয়েছেন পাঁচ কোটি ৩৬ লাখ ডলার।

একই সঙ্গে, কোচ ইনকরপোরেটেড রিপাবলিকানদের দিয়েছে চার কোটি ৬৮ লাখ ডলার।

সব মিলিয়ে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দুই দলের প্রার্থীদের পক্ষে ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপুল অনুদান নির্বাচনি প্রচারে অর্থের প্রভাব আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: