শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

২০ বছরেই টাক! জেন-জি'র চুল ঝরায় গড়ে উঠছে শত কোটি ডলারের ব্যবসা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
২০ বছরেই টাক! জেন-জি'র চুল ঝরায় গড়ে উঠছে শত কোটি ডলারের ব্যবসা
২০ বছরেই টাক! জেন-জি'র চুল ঝরায় গড়ে উঠছে শত কোটি ডলারের ব্যবসা

একসময় চুল পড়া বা টাকের সমস্যা মূলত মধ্যবয়সীদের মধ্যে বেশি দেখা যেত। কিন্তু এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। বিশের কোঠায় থাকা জেন-জি প্রজন্মের অনেক তরুণ-তরুণী অকালেই চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন। আর এই সংকটকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে গড়ে উঠছে শত কোটি ডলারের এক বিশাল স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যবিষয়ক শিল্প।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণা ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, দুই দশক আগেও চুল পড়ার চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বেশিরভাগের বয়স ছিল ৩৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। বর্তমানে ডার্মাটোলজি ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসা নতুন রোগীদের বড় একটি অংশই শেষ কিশোর বয়স বা বিশের কোঠার তরুণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক জীবনযাপন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, প্রক্রিয়াজাত খাবার, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, বায়ুদূষণ এবং বংশগত প্রবণতা মিলিয়ে অল্প বয়সেই চুল পড়ার সমস্যা বাড়ছে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া, সেলফি সংস্কৃতি এবং হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরার কারণে তরুণরা নিজেদের বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন হয়ে উঠেছেন।

চিকিৎসকদের ভাষ্য, শহুরে জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ কোনো না কোনো ধরনের চুল পড়ার সমস্যায় ভুগলেও অধিকাংশ মানুষ এখনো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরিবর্তে শ্যাম্পু, সিরাম বা প্রচলিত টোটকার ওপর নির্ভর করেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি (HealthTech) ও ডাইরেক্ট-টু-কনজিউমার (D2C) প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে বাজারে প্রবেশ করেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী চুল পড়ার চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজার বর্তমানে ৩ থেকে ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। ২০৩৪-২০৩৫ সালের মধ্যে এ বাজারের আকার ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর হেয়ার কেয়ার, চিকিৎসা ও হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট খাত মিলিয়ে এটি ইতোমধ্যে হাজার কোটি ডলারের বৈশ্বিক শিল্পে পরিণত হয়েছে।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইন মূল্যায়ন, টেলিমেডিসিন, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনার মাধ্যমে তরুণদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাসেবার আওতায় আনছে। ফলে সাধারণ প্রসাধনী পণ্যের বাজার ধীরে ধীরে চিকিৎসাভিত্তিক সেবায় রূপ নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চুল পড়ার সমস্যা শুরু হলে ইন্টারনেটভিত্তিক অযাচিত পরামর্শ বা ভুয়া প্রসাধনীর ওপর নির্ভর না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। কারণ, সময়মতো সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে অনেক ক্ষেত্রেই চুল পড়ার গতি কমানো এবং কার্যকর সমাধান পাওয়া সম্ভব।

সূত্র: এনডিটিভি, পি অ্যান্ড এস ইন্টেলিজেন্স, স্ফেরিক্যাল ইনসাইট।

ভোরের আকাশ/এনএ

জেন-জিডলার

শেয়ার করুন: