শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মালিতে সশস্ত্র হামলায় একাধীক গোষ্ঠীর দায় স্বীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দু’দিন ধরে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমন্বিত হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি। হামলায় দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে কয়েকটি গোষ্ঠী এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে।

গত রোববার (২৬ এপ্রিল) সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, রাজধানী বামাকোসহ দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় সমন্বিত হামলার সময় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাদিও কামারা নিহত হন। শনিবার কাটি এলাকায় তার বাসভবনেও হামলা হয়েছিল।

মালির সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, অজ্ঞাত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো রাজধানী ও দেশের অভ্যন্তরের কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকা এবং সামরিক ব্যারাকে হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে সেখানে লড়াই অব্যাহত রয়েছে।

আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী জামাত নুসরাত আল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) রাজধানীর কাছে কাটি, বামাকো বিমানবন্দর এবং উত্তরের মপতি, সেভারে ও গাও অঞ্চলে হামলার দায় স্বীকার করেছে। পাশাপাশি যাযাবর তুয়ারেগ বিদ্রোহীরাও সাম্প্রতিক হামলায় অংশ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

জেএনআইএম সাহেল অঞ্চলে আল কায়েদার অন্যতম সক্রিয় শাখা হিসেবে পরিচিত। গত সেপ্টেম্বর থেকে তারা তেলের ট্যাংকারে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে, যার ফলে বামাকোতে জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। তারা প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে মালিতে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

গত শনিবার জেএনআইএম জানায়, তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের সংগঠন ‘আজওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা কিদাল শহরটি দখল করেছে। এফএলএর মুখপাত্র মোহাম্মদ এলমাওলুদ রামাদান সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, তাদের গোষ্ঠী কিদাল এবং গাওয়ের একাধিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। আল জাজিরা স্বাধীনভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি, তবে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে কিদালের জাতীয় যুব ক্যাম্পে সশস্ত্র ব্যক্তিদের প্রবেশ করতে দেখা গেছে। সূত্র: আল-জাজিরা

কিদাল শহরটি আয়তনে ছোট হলেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, কিদাল নিয়ন্ত্রণে রাখা মানে কার্যত উত্তর মালির বড় অংশের ওপর প্রভাব বজায় রাখা।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সাহেল অঞ্চলের উপ-পরিচালক ইব্রাহিম ইয়াহিয়া ইব্রাহিম বলেন, মালির কর্তৃপক্ষ সম্ভবত এই নতুন দফার হামলার জন্য প্রস্তুত ছিল না। তার মতে, এটি গত কয়েক বছরে জেএনআইএমের ধারাবাহিক ও তীব্র হামলা অভিযানেরই একটি অংশ।

ভোরের আকাশ/সু.পা
 

সশস্ত্র হামলা

শেয়ার করুন: