শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এভারেস্টে পর্যটকদের বিষ খাইয়ে কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

এভারেস্ট অঞ্চলে বিদেশি পর্যটকদের টার্গেট করে ভয়ংকর এক বিমা জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। খাবারে বিষাক্ত উপাদান মিশিয়ে পর্যটকদের অসুস্থ করে পরে জরুরি হেলিকপ্টার উদ্ধারের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে।

নেপাল পুলিশের সেন্ট্রাল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো জানায়, এই জালিয়াতির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ১৫০ কোটির বেশি।

তদন্তে উঠে এসেছে, পরিকল্পিতভাবে এই জালিয়াতি পরিচালিত হতো। এতে শেরপা গাইড, হেলিকপ্টার অপারেটর, হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরির কর্মকর্তারাও জড়িত।

তদন্তকারীরা জানান,  গাইডরা প্রথমে পর্যটকদের খাবারে বেকিং সোডা, কাঁচা মুরগির মাংস এমনকি ইঁদুরের বিষ্ঠা পর্যন্ত মিশিয়ে দিতো। এতে পর্যটকদের শরীরে বমি ভাব, মাথাব্যথা ও দুর্বলতা দেখা দিত, যা উচ্চতাজনিত অসুস্থতার লক্ষণের মতোই। এরপর তারা পর্যটকদের ভয় দেখিয়ে দ্রুত হেলিকপ্টার উদ্ধারে রাজি করাতেন। নিচে নামানোর পর শুরু হতো মূল জালিয়াতি। অনেক ক্ষেত্রে সুস্থ পর্যটকদেরও ‘উদ্ধার’ দেখিয়ে বিমা কোম্পানির কাছে আলাদা আলাদা বিল পাঠানো হতো।

নেপাল পুলিশের তথ্যমতে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৪ হাজার ৭৮২ জন আরোহী এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ইতোমধ্যে ৩০০টির বেশি ভুয়া উদ্ধার অভিযানের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এই ঘটনায় ৩৩ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ট্রেকিং কোম্পানি, হেলিকপ্টার অপারেটর এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রয়েছে।

নেপাল পুলিশ এই ঘটনাকে শুধু আর্থিক জালিয়াতি নয়, দেশের মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর বড় আঘাত হিসেবে দেখছে। এর আগে ২০১৮ সালেও একই ধরনের কেলেঙ্কারি সামনে এসেছিল।

সিআইবি প্রধান মনোজ কুমার কেসি বলেন, অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণেই এ ধরনের জালিয়াতি বিস্তার লাভ করেছে।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক বিমা কোম্পানিগুলো নেপালকে কাভারেজ তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এতে দেশটির পর্যটন খাত বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

নেপাল টুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে প্রতিটি উদ্ধার অভিযান কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি পর্যটকদের গাইড বা কোম্পানি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

ভোরের আকাশ/আ.র

এভারেস্টে কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি

শেয়ার করুন: