শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লির অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশি নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৫ জুন ২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নয়াদিল্লির মালভিয়া নগরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মো. নুরুল আমিন (৪৪) না‌মে এক বাংলা‌দে‌শি নাগ‌রিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নয়া দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।

সূত্র বলছে, নিহত মো. নুরুল আমিনসহ দুটি বাংলাদেশি পরিবার ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তারা সবাই নয়াদিল্লির কাছাকাছি ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। আগুন লাগার সময় তারা হোটেলেই ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন, নয়াদিল্লি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। হাইকমিশনের কর্মকর্তারা আহত বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন

আইডিএফের শীর্ষ কমান্ডারের গাড়িতে হিজবুল্লাহ'র ড্রোন হামলা

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে নয়া দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি সব বাংলাদেশি রোগীদের দেখতে যান এবং তাদের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান করছেন যাতে কোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া যায়।

নয়া দিল্লির সূত্র জানিয়েছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও হাইকমিশন নিবিড় যোগাযোগ রাখছে যেন আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ও নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

ভোরের আকাশ/এম

নয়াদিল্লি

শেয়ার করুন: