শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারত থেকে আম নেয়া কেন নিষিদ্ধ করল জাপান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০ পর আবারও ভারতীয় আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জাপান। সম্প্রতি জাপানি কর্মকর্তারা পরিদর্শনের সময় ভারতীয় আম প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রেগুলোতে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে ত্রুটি খুঁজে পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

এতে আলফোনসো, কেসর, ল্যাংড়া ও বাগানপল্লীর মতো ভারতের প্রিমিয়াম আম রফতানিতে বড় ধাক্কা লেগেছে এবং আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মার্চে ভারতের উত্তর প্রদেশের রহমানপুরে অবস্থিত একটি ভারতের ‘ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট’ (ভিএইচটি) কেন্দ্রে পরিদর্শন করেন জাপানি কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তারা।

এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়াই নিয়ন্ত্রিত গরম ও আর্দ্র বাতাসের মাধ্যমে আমের ভেতরের পোকা বা লার্ভা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়, যা জাপানে আম রফতানির অন্যতম বাধ্যতামূলক শর্ত। তবে পরিদর্শনে কেন্দ্রটির ফিউমিগেশন (ধোঁয়া দিয়ে জীবাণুমুক্তকরণ) প্রক্রিয়ায় একাধিক বড় ধরনের ঘাটতি ও ত্রুটি ধরা পড়ে।

মূলত, ফল মাছি বা ফ্রুট ফ্লাই এবং অন্যান্য আক্রমণাত্মক ক্ষতিকর পোকামাকড়কে নিজেদের কৃষির জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে জাপান। এই কারণে আমদানিকৃত ফলের ক্ষেত্রে দেশটির কোয়ারেন্টাইন বিভাগ ‘জিরো-টলারেন্স’ বা শূন্য-সহনশীলতা নীতি কঠোরভাবে কার্যকর রেখেছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাপানের ইয়োকোহামা প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, ২০২৬ সালের ২৫ মার্চের পর ইস্যু করা সার্টিফিকেটধারী কোনো আমের চালান তারা গ্রহণ করবে না।

এর আগে ১৯৮৬ সালে আমের মধ্যে ক্ষতিকর ‘ফল মাছি’ (Fruit Fly) পাওয়ার কারণে প্রথমবার ভারতীয় আম নিষিদ্ধ করেছিল জাপান। পরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে ২০০৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই বাণিজ্য ঠিকঠাক চললেও, আবারও একই কারণে আমদানিতে স্থগিতাদেশ এলো।

জাপান ভারতের সবচেয়ে বড় আমের বাজার না হলেও এটি ছিল দেশটির অন্যতম লাভজনক ও উচ্চ-মূল্যের বাজার। জাপানের এই কঠোর সিদ্ধান্তের কারণে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশও এখন ভারতীয় আমের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন রফতানিকারকরা।

আরও পড়ুন

মোজতবা খামেনির ‘গ্রিন সিগন্যালের’ অপেক্ষায় ট্রাম্প

অন্যদিকে জাপানের এই আকস্মিক এই নিষেধাজ্ঞা ভারতীয় আমচাষি বিশেষ করে মহারাষ্ট্রের আলফোনসো চাষিরা এমনিতেই এবার তীব্র গরম ও আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে কম ফলনের সমস্যায় ভুগছিলেন। তার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা তাদের বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

ভারত সরকার এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলেও আমলাতান্ত্রিক ও প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া শেষ করতে করতে এই বছরের পুরো মৌসুমটি পার হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি

ভোরের আকাশ/এম

জাপান

শেয়ার করুন: