শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করে নির্দেশনা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ক্ষমতায় এসেই গরু ও মোষ জবাই সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গের শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের নির্দেশের উল্লেখ করে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে—প্রকাশ্যে বা যত্রতত্র নয়, পশু জবাই করতে হবে শুধুমাত্র সরকার স্বীকৃত কসাইখানায়।

বুধবার রাজ্য সরকারের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে 'পশ্চিমবঙ্গ পশু হত্যা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০'-এর উল্লেখ করে নির্দিষ্ট পশুর ফিটনেস সার্টিফিকেট বা অনুমতিপত্র থাকাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি কোনও পশু (ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর, পুরুষ ও স্ত্রী মোষ, মোষের বাচ্চা এবং মুষ্ক-ছেদিত মোষ) জবাই দিতে পারবেন না, যদি না তিনি সেই পশুটি জবাই উপযুক্ত - এই মর্মে কোনও ফিটনেস সার্টিফিকেট বা অনুমতি পত্র সংগ্রহ করেন।  

কোনো পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন সরকারি পশু চিকিৎসক যৌথভাবে এই অনুমতিপত্র প্রদান করতে পারবেন। তবে তাঁদের লিখিতভাবে একমত হতে হবে যে, কাজ ও প্রজননের ক্ষেত্রে পশুটির বয়স ১৪ বছরের বেশি অথবা পশুটি বার্ধক্য, আঘাত, বিকৃতি বা অন্য কোনো দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়েছে, তবেই সেটিকে হত্যা করা যাবে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে, কলকাতা হাই কোর্টের ২০১৮ সালের ৬ আগস্টের রায় এবং সে সংক্রান্ত ২০২২ সালের ৮ জুনের সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করে সাফ জানানো হয়েছে, সার্টিফিকেট থাকলেও প্রকাশ্যে গরু বা মোষ জবাই দেওয়া যাবে না। অনুমোদনপ্রাপ্ত পশুটিকে শুধুমাত্র কোনো পৌর কসাইখানা অথবা স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত কসাইখানায় জবাই দিতে হবে।

কেউ নিয়ম ভাঙলে আইন মোতাবেক তার কী শাস্তি হবে, সেটাও জানানো হয়েছে। সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। যৌথ অনুমোদনপত্র ছাড়া পশু জবাই করলে বা নিষিদ্ধ স্থানে এই কাজ করলে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১,০০০ রুপি  জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে। ১৯৫০ সালের আইনে সকল অপরাধই ‘গুরুতর’ হিসেবে গণ্য হবে।

আরও পড়ুন

ঈদ সামনে রেখে মার্কেটে বিপুল জাল টাকা ছড়িয়েছে একটি চক্র : ডিবি

তবে এই ধরনের অনুমোদনপত্র প্রদানে অস্বীকৃতির ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি উক্ত অস্বীকৃতির সংবাদ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানাতে পারবেন।

একই সঙ্গে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০-এর বিধি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে পুরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, অথবা সরকারি পশুচিকিৎসক কর্তৃক অনুমোদিত কোনও ব্যক্তি পরিদর্শনে (কসাইখানা) গেলে কেউ বাধা দিতে পারবেন না। 

ভোরের আকাশ/এনএস

পশ্চিমবঙ্গনিষিদ্ধপশু জবাই

শেয়ার করুন: