শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফাঁসির বদলে ইনজেকশনে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন খারিজ ভারতের সুপ্রিম কোর্টে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ফাঁসির বদলে ‘কম যন্ত্রণাদায়ক’ হিসেবে শিরায় প্রাণঘাতী ইনজেকশন ব্যবহারের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির যন্ত্রণা কমানো এবং তার মর্যাদা রক্ষার জন্য মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে কোনও বিকল্প পদ্ধতি চালু করা হবে না। সেক্ষেত্রে, আপাতত ভারতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিই বহাল থাকছে।

তবে আবেদন খারিজ করলেও বৈজ্ঞানিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে বিষয়টির সাংবিধানিক পর্যালোচনার পথ উন্মুক্ত রেখেছে সর্বোচ্চ আদালত, বলা হয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'- এর প্রতিবেদনে।

সম্প্রতি আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর পদ্ধতিতে ফাঁসির পরিবর্তে প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশন, গুলি করে মৃত্যুদণ্ড, ইলেকট্রিক চেয়ার-এর মতো কম যন্ত্রণাদায়ক পদ্ধতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

মঙ্গলবার সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে। শুনানিতে আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা যুক্তি দেন, ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা একটি বর্বর, অমানবিক ও নিষ্ঠুর পদ্ধতি, যা আন্তর্জাতিক প্রস্তাবের পরিপন্থি।

তিনি দাবি করেন, শিরায় বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ৫ মিনিটের বেশি সময় লাগে না; অন্যদিকে ফাঁসি দিয়ে তা কার্যকর করতে অন্তত ৪০ মিনিট সময় লেগে যায়।

তিনি জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবেরও উল্লেখ করেন। সেখানে বলা হয়েছে, যেখানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, সেখানে যতটা সম্ভব কম যন্ত্রণা দিয়ে তা কার্যকর করা উচিত।

তবে মামলা খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আগের তিনটি রায় বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর আবেদনও খারিজ হয়েছে। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিই বহাল থাকছে। তবে বিকল্প পদ্ধতির পথ একেবারে বন্ধ করা হচ্ছে না।

বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, তাদের এই রায় ভবিষ্যতের সব সম্ভাবনা বন্ধ করে দিচ্ছে না।

বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে ভবিষ্যতে যদি শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসা সংক্রান্ত বা বাস্তব তথ্য-প্রমাণ সামনে আসে, তাহলে বিষয়টি ফের সাংবিধানিকভাবে পর্যালোচনা করা যেতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্র চাইলে বিকল্প মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতিগুলো নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করতে পারে।

আরও পড়ুন

শিক্ষা পরিবারের ভাবমূর্তি রক্ষায় কঠোর হচ্ছে মাউশি

আইন, ফরেনসিক মেডিসিন, নিউরোসায়েন্স, অপরাধবিজ্ঞান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এমন পর্যালোচনা চালাতে এই রায় কোনো বাধা তৈরি করবে না।

সংবিধানের ব্যাখ্যাকে ‘গতিশীল ও বিকাশমান’ আখ্যা দিয়ে বেঞ্চ জোর দিয়ে বলেছে, সাংবিধানিক নীতির বিবর্তন এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আদালতের ব্যাখ্যাকেও প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী থাকতে হবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

ইনজেকশন মৃত্যুদণ্ডআবেদন খারিজ

শেয়ার করুন: