শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রযুক্তিতে সাবমেরিন বানাচ্ছে মিয়ানমার, সহযোগিতায় উ. কোরিয়া?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো দেশের অভ্যন্তরে নিজস্ব প্রযুক্তিতে সাবমেরিন তৈরি করছে মিয়ানমার। প্রায় ৪০ মিটার দীর্ঘ এই ডুবোজাহাজটি নকশাগতভাবে উত্তর কোরিয়ার স্যাং-ও-ক্ল্যাস সাবমেরিনের সঙ্গে মিল রয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। স্যাটেলাইট চিত্রে এ সাবমেরিন তৈরির দৃশ্য ধরা পড়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিয়ানমার দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বজায় রেখেছে। দেশটি বিভিন্ন সময়ে উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তি ক্রয় করেছে। একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়া অতীতে ইরানসহ বিভিন্ন দেশে সাবমেরিন প্রযুক্তি রপ্তানি করেছে বলেও এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্যাং-ও-ক্ল্যাস সাবমেরিন মূলত উপকূলীয় ও অগভীর সমুদ্র অঞ্চলে অভিযান পরিচালনার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবে, এসব সাবমেরিন আকারে বড় নৌবাহিনীর তুলনায় অসম অনুপাতের সামরিক চাপ তৈরি করতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছোট ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনগুলো মূলত ৩টি লক্ষ্যে কার্যক্রম চালায়।

১) উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও নজরদারি মিশনে ব্যবহৃত হয়
২) বিশেষ বাহিনী (special forces) অনুপ্রবেশে সহায়তা করে
৩) টর্পেডো ও মাইন ব্যবহার করে আক্রমণ চালাতে সক্ষম

তবে, কিছু বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, ভবিষ্যতে এসব সাবমেরিনে ক্রুজ মিসাইল বহনের প্রযুক্তিও যুক্ত হতে পারে।

আরও পড়ুন

ফিফার পাওয়ার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে মেসি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার সাবমেরিন শিল্প সোভিয়েত যুগের রোমিও ক্ল্যাস সাবমেরিন সংযোজন থেকে শুরু করে এখন নিজস্ব উন্নত নকশা তৈরির পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্যাং-ও-ক্ল্যাস সাবমেরিন বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া দেশটি ভবিষ্যতে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির দিকেও অগ্রসর হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। পারমাণবিক শক্তিচালিত এসব সাবমেরিন ২০৩০ সালের দিকে সামরিক কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারে।

মিয়ানমার নৌবাহিনীতে চীনা টাইপ-০৩৫ সাবমেরিন রয়েছে বলে জানা গেছে। নতুন সাবমেরিনটি তাদের বিদ্যমান সক্ষমতার পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে।

সাবমেরিনমিয়ানমার

শেয়ার করুন: