শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেটিং অ্যাপ, অন্তরঙ্গ ছবি: যেভাবে ৬ কোটি রুপি হাতিয়ে নিলেন এক নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ আগস্ট ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ডেটিং অ্যাপ, অন্তরঙ্গ ছবি: যেভাবে ৬ কোটি রুপি হাতিয়ে নিলেন এক নারী
ডেটিং অ্যাপ, অন্তরঙ্গ ছবি: যেভাবে ৬ কোটি রুপি হাতিয়ে নিলেন এক নারী

ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ডেটিং অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে পুরুষদের ফাঁদে ফেলে অন্তরঙ্গ ছবি-ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে প্রায় ৬ কোটি রুপি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলাহাবাদ হাইকোর্টের এক আইনজীবীর অভিযোগের ভিত্তিতে পল্লবী সিং রাজপুত নামের এক নারীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি প্রতারণা চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। অভিযোগ অনুযায়ী, চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ব্ল্যাকমেলের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আদায় করেছে।

তদন্তে জানা যায়, পল্লবী ডেটিং অ্যাপ টিন্ডার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় গড়ে তুলে পুরুষদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করতেন। পরে ব্যক্তিগত সাক্ষাতের সময় কৌশলে অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সেগুলো প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করা হতো।

অভিযোগ রয়েছে, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগে মামলা করার হুমকি দেওয়া হতো। অভিযোগকারীর দাবি, এ ধরনের মিথ্যা মামলায় অন্তত পাঁচজন কারাভোগও করেছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নগদ টাকার স্তূপ এবং এক নারীর অস্ত্র হাতে থাকা কয়েকটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব ছবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

পুলিশের তদন্তে আরও জানা গেছে, পল্লবী সুইটি তিওয়ারিসহ একাধিক ছদ্মনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতেন। এই প্রতারণা চক্রে তাকে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী সহযোগিতা করতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার সত্যতা যাচাই ও অভিযোগের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে প্রয়াগরাজ পুলিশ।

ভোরের আকাশ/এনএ

 

নারী শিক্ষাডেটিং

শেয়ার করুন: