শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আদিবাসী তরুণীকে ধর্ষণ ও অ্যাসিড নিক্ষেপ

৪২ বছর কারাদণ্ড ২ বিএসএফ সদস্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামের এক জেলা আদালত ৯ বছরের পুরনো এক মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। রাজ্যের এক আদিবাসী তরুণীকে ধর্ষণ ও তার মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপের দায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ২ সদস্যকে ৪২ বছর করে কারাবাসের সাজা দিয়েছেন বিচারক সিলভি জোমুয়ানপুই।

দুই বিএসএফ সদস্য বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে মিজোরামের এক আদিবাসী তরুণীকে ধর্ষণ ও অ্যাসিড হামলার অভিযোগ উঠেছিল। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কয়েকদিন আগেই তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত বিএসএফ সদস্যদের একজন বাঙালি, অপরজন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। গতকাল বুধবার রায় ঘোষণা করেছেন বিচারক।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই মিজোরামের সুপুরি বনে ওই আদিবাসী তরুণীকে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। পরে তার মুখে অ্যাসিডও ঢেলে দেয় তারা। এতে ওই তরুণীর একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়। ক্ষতি হয় মুখের ত্বকের।

ঘটনার সময় তরুণীর সঙ্গে ছিলেন তার এক বান্ধবী। ঘটনাটি ঘটার কয়েক দিন পর তার মৃত্যু হয়। তবে আদালত সেই খুনটির জন্য বিএসএফের ওই দুই সদস্যকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেননি।

তবে ধর্ষণ ও অ্যাসিড হামলায় সাজা ঘোষণা করেছেন। বিচারকের রায় অনুসারে গণধর্ষণের জন্য ২০ বছর, ধর্ষণের মাধ্যমে শারীরিক ক্ষতির জন্য ১০ বছর এবং অ্যাসিড হামলার জন্য ১২ বছরের কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছে আসামিদের। এই তিন অপরাধের সাজা একই সঙ্গে ভোগ করতে দোষীদের। এছাড়াও প্রতিটি অপরাধে ৬০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে তাদের। অনাদায়ে আরও ২ মাস করে কারাগারে থাকতে হবে।

জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জেলাশাসকের সামনে দুই দোষীকে সনাক্ত করেন নির্যাতিতা। শুরু হয় মামলার শুনানি। সব মিলিয়ে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত সাক্ষী দেন। তাদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও ছিলেন। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

ভোরের আকাশ/সু.পা

বিএসএফ সদস্য

শেয়ার করুন: