শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারত ও আফগানিস্তানকে হঁশিয়ারি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সন্ত্রাসীদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত থাকলে ইসলামাবাদ কাবুলের বিরুদ্ধেও ঠিক সেইভাবেই ব্যবস্থা নেবে, যেভাবে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) ইসলামাবাদে জাতীয় পরিষদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দিল্লি আর কাবুলের মধ্যে এখন কোনো পার্থক্য নেই। পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিম; দুই সীমান্তেই এখন একই শত্রু অবস্থান করছে।

খাজা আসিফ অভিযোগ করেন, আফগানিস্তানের বর্তমান সরকার ভারতের প্রক্সি হিসেবে কাজ করছে এবং সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ বন্ধে পাকিস্তানকে কোনো দৃঢ় আশ্বাস দিতে রাজি নয়।

তিনি বলেন, কাবুল আমাদের সন্ত্রাস বন্ধের কোনো নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। তারা শুধু মৌখিক প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু লিখিতভাবে কিছু দিতে চায় না।

একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি তারা সন্ত্রাসীদের সহায়তা বন্ধ না করে, তাহলে যুদ্ধ হবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, বিষয়টি সমাধানে পাকিস্তান কাতার, সৌদি আরব ও তুরস্ককে যুক্ত করে কূটনৈতিক আলোচনার চেষ্টা করেছিল। তিনটি দেশের সহায়তায় আমরা তাদের বোঝানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছি।

নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রাদেশিক সরকার দীর্ঘদিন কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতা করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এখন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানান।

এ সময় তিনি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর ত্যাগের প্রশংসা করেন। খাজা আসিফ বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিঃস্বার্থভাবে আত্মত্যাগ করছে। সীমান্তে যারা জীবন দিচ্ছে, তারাই পাকিস্তানের পরিচয় বহন করছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক ব্যাপক অবনতি হয়েছে। ইসলামাবাদ বারবার তালেবান সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে, আফগান ভূখণ্ড যেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার না হয়। তবে পাকিস্তানের দাবি, সেই প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

বন্ধুপ্রতিম কয়েকটি দেশ দুই পক্ষের উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করলেও পাকিস্তান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নিজেদের জনগণের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।

আরও পড়ুন

চীনে পৌঁছেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

গত বছর তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমলেও ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে স্থায়ী সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র : জিও নিউজ

ভোরের আকাশ/এনএস

পাকিস্তানভারত-আফগানিস্তান

শেয়ার করুন: