শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সেনা নিহত, তছনছ ১৭টি সামরিক স্থাপনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আমেরিকার অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ বিশ্লেষণে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান বিরোধী মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ওই অঞ্চলে আমেরিকার অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচ্চ-রেজোলিউশনের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও এবং মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের বিবৃতির ভিত্তিতে এই ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে মার্কিন সেনাদের আবাসন লক্ষ্য করে গত ১ মার্চের ড্রোন হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হন এবং ভবনের ছাদ ধসে পড়ে। একই দিনে সৌদি আরবে অবস্থিত আরেকটি মার্কিন ঘাঁটিতে পৃথক হামলায় আরও একজন সেনা নিহত হয়েছেন। 

ইরানের এই হামলার তীব্রতা ও ব্যাপকতা দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যতটা ধারণা করেছিলেন, তেহরান তার চেয়ে বহুগুণ বেশি সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। বিশেষ করে যুদ্ধের প্রথম দিনেই মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম মার্কিন ঘাঁটি আল-উদেইদসহ প্রিন্স সুলতান, আলী আল-সালেম এবং ক্যাম্প বুহরিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে আঘাত হানা হয়। হামলায় শুধু প্রাণহানিই নয় বরং বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে পেন্টাগন। 

কংগ্রেসের কাছে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে ২৮ ফেব্রুয়ারির একটি মাত্র হামলায় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আল-উদেইদ এবং আল-ধফরার মতো বেশ কিছু ঘাঁটি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ছিল আমেরিকার ব্যয়বহুল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাডের রাডার ইউনিট এবং যোগাযোগ অবকাঠামো। 

স্যাটেলাইট চিত্রে জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে একটি থাড রাডার সেন্সর ধ্বংস হওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে, যার একটির মূল্যই প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া কাতারে অবস্থিত ১.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘ পাল্লার রাডার সিস্টেমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: প্রেস টিভি

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ইরানমার্কিন সেনা

শেয়ার করুন: