শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারের নিষেধাজ্ঞা মানছে না অস্ট্রেলিয়ার কিশোররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার তিন মাস পরও দেশটির প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের বেশি কিশোর-কিশোরী বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) অস্ট্রেলিয়ার ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে ব্যর্থ হওয়ায় অধিকাংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারী সহজেই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পেরেছে।

এতে আরও বলা হয়, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের হার মার্চ মাসেও প্রায় আগের মতোই ছিল। একই সময়ে সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতনতাও কমে গেছে।

ই-সেফটির ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে যেসব ১৬ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট ছিল, তাদের বেশিরভাগই সেই অ্যাকাউন্ট চালিয়ে যেতে পেরেছে অথবা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে কার্যকর বয়স যাচাই ব্যবস্থা না থাকাকে দায়ী করেছে সংস্থাটি।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কায় বিশ্বে প্রথমবারের মতো ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য এমন নিষেধাজ্ঞা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির এই উদ্যোগ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম, শিল্প-সংস্কৃতি, সংগীতচর্চা, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।

যেসব শিশু তাদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার চালিয়ে যেতে পেরেছে, তাদের প্রায় অর্ধেক জানিয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের বয়স যাচাইই করেনি। অন্যরা জানিয়েছে, তাদের অ্যাকাউন্টে বয়স ১৬ বছর বা তার বেশি দেখানো ছিল, অথবা বয়স যাচাই ব্যবস্থা ভুলভাবে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে শনাক্ত করেছে।

এদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর অস্ট্রেলিয়া সরকার নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।

দেশটির উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা, দাতব্য ও ট্রেজারি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু লি বলেন, এই আইন অভিভাবকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।

তিনি বলেন, এই আইন কার্যকরের ফলে লাখ লাখ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়েছে।

আরও পড়ুন

ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর

একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, আইনটি শতভাগ কার্যকর হবে—এমন প্রত্যাশা সরকারের ছিল না।

তার ভাষায়, মদ্যপানের ন্যূনতম বয়সসীমার আইনেও শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। তবুও এমন আইন থাকা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য।

ভোরের আকাশ/এম

অস্ট্রেলিয়া

শেয়ার করুন: