শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ লেবাননের শেষ সেতুটিও ধ্বংস করলো ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত লিতানি নদীর ওপর থাকা শেষ কার্যকর সেতুটিও ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এই সেতুটি ভেঙে পড়ায় হাজার হাজার বাসিন্দা জরুরি সহায়তা ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, উপকূলীয় শহর সাইদা ও দক্ষিণের টাইর শহরকে সংযুক্তকারী কাসমিয়েহ সেতুর ওপর পরপর দুটি বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে সেতুটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। হামলার আগে একই এলাকায় ড্রোন দিয়েও পৃথক দুটি আঘাত হানা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। এই হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের সেনাবাহিনী। ঘটনাস্থলের ফুটেজে বিশাল বিস্ফোরণের পর আকাশজুড়ে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে, যা আশপাশের সবুজ প্রান্তরকে ঢেকে ফেলে এবং পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট করে তোলে।

তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা সরাসরি সেতুটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি, বরং সেতুর আশপাশের এলাকায় আঘাত হেনেছে। এই দাবি ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে পার্থক্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকে লেবাননে প্রায় এক হাজার বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা। একই সময়ে লিতানি নদীর দক্ষিণে এবং পরে জাহরানি নদী পর্যন্ত এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চলকে দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযুক্তকারী প্রায় সব প্রধান সেতুই ধ্বংস বা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে, ফলে কাসমিয়েহ সেতুই ছিল শেষ কার্যকর সংযোগপথ।

তাদের মতে, এই ধারাবাহিক হামলার ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, মানবিক সংস্থা, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রগুলোর পক্ষে সহায়তা পৌঁছানো ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও মানবিক সংকটে ঠেলে দিচ্ছে। সূত্র: সিএনএন

ভোরের আকাশ/নি

দক্ষিণ লেবানন

শেয়ার করুন: