শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের কেশম দ্বীপে ৯০০ কেজির বোমা ফেলল মার্কিন বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ আগস্ট ২০২৬, ১:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে একটি বেসামরিক ভবনে মার্কিন বাহিনীর শক্তিশালী বোমা হামলা করেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দ্য নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ওই হামলায় একটি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় বাড়ির মালিক দম্পতি ও তাদের দুই বছরের সন্তান নিহত হয়েছেন। পরিবারের আরও দুই সন্তান বেঁচে গেছেন। হামলার পর আশপাশের প্রায় ২০টি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলেও তারা জানিয়েছেন।

নিউইয়র্ক টাইমস ভিডিও, সংবাদমাধ্যমের ফুটেজ ও স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, বিস্ফোরণের গর্তের আকার দেখে মনে হচ্ছে সম্ভবত ২ হাজার পাউন্ড বা প্রায় ৯০০ কেজি ওজনের একটি বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় বোমাগুলোর একটি। অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা গর্তের আকার ও ঘটনাস্থলে পাওয়া ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে ধারণা করছেন, এটি মার্ক-৮৪ বোমা হতে পারে।

আরও পড়ুন

গুমের শাস্তি যাবজ্জীবন, ভুক্তভোগী পাবেন ক্ষতিপূরণ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় ও স্থান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার সঙ্গে মিলে যায়। একজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্য জেরুজালেম পোস্টকে বলেছেন, বৃহস্পতিবার ইরানে চালানো হামলার পরিধি আগের রাতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল। তিনি হামলাগুলোকে ব্যাপক ও বিস্তৃত এবং উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে বলে উল্লেখ করেন।
 
নিউইয়র্ক টাইমসের তদন্তে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির আশপাশে কোনো সামরিক স্থাপনা ছিল না। হামলার পর ইরানও কোনো সামরিক হতাহতের কথা প্রকাশ করেনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষ গর্তের কেন্দ্র থেকে ২০০ ফুটেরও বেশি দূরে ছিটকে পড়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ তারা খতিয়ে দেখছে। সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেছেন, আমরা এসব প্রতিবেদনের বিষয়ে অবগত এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। মার্কিন সামরিক বাহিনী কখনোই বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় না। তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু কী ছিল, কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বা বেসামরিকদের সুরক্ষায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, এসব বিষয়ে তারা কোনো তথ্য দেয়নি।

ভোরের আকাশ/এনএস

মার্কিন বাহিনীইরান

শেয়ার করুন: