শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধে ২৭ হাজার কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ তুলে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৭ হাজার কোটি ডলার) ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। আগামী আলোচনার আগে ক্ষতিপুরণ আদায়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটি। ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অবকাঠামো ও বিভিন্ন খাতে এই বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তার দাবি, এই ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আলোচনায়ও উত্থাপন করা হবে।

এদিকে জাতিসংঘ–এ ইরানের প্রতিনিধি অভিযোগ করেছেন, পাঁচটি দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সেই দেশগুলো হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডান—এদেরকেও ক্ষতিপূরণে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, হামলায় সামরিক স্থাপনা ছাড়াও তেল-গ্যাস, পেট্রোকেমিক্যাল, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম কারখানার মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সেতু, বন্দর, রেললাইন, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা কেন্দ্র, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানি শোধনাগারও ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিমান খাতেও বড় ধরনের ক্ষতির কথা জানিয়েছে দেশটি। ইরানের বিমান পরিবহন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৬০টি বেসামরিক বিমান অচল হয়ে গেছে, যার মধ্যে ২০টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এদিকে ইরানের পার্লামেন্টের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা উচিত নয়, কারণ এতে প্রতিপক্ষ নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ পেতে পারে।

ইরান ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য একটি নতুন প্রস্তাবও দিয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর কর আরোপ করে একটি ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের ধারণাও রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দাবি ও চলমান উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতের কূটনৈতিক আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ

শেয়ার করুন: