শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বব্যাপী শুল্ক ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সব দেশের ওপর আরোপ করা অস্থায়ী পারস্পরিক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গত বছর ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ক বাতিল করে দেন।

এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি নতুন করে বিশ্বের সব দেশের আমদানি পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এরপর আরও কয়েক ঘণ্টা পর এটি বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেন ট্রাম্প।

সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে 'ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট'-এর অধীনে তার আগের বৈশ্বিক শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্টের ৬-৩ ব্যবধানের এই রায়ে ট্রাম্প তীব্র হতাশা ব্যক্ত করেছেন এবং তার নীতি সমর্থন না করার জন্য রিপাবলিকান মনোনীত বিচারকদের সমালোচনা করেছেন।

তিনি জানান, তার প্রশাসন এখন নতুন শুল্ক কার্যকর করতে ১৯৭৪ সালের 'ট্রেড অ্যাক্ট' ব্যবহার করবে। ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্ট অনুযায়ী, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শুল্ক ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর রাখা যায়।

এর আগে শুক্রবার ট্রাম্পের বিশ্বব্যাপী শুল্প আরোপকে অবৈধ বলেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছে যে, বিশ্বজুড়ে একতরফাভাবে ব্যাপক শুল্ক আরোপ করার মাধ্যমে ট্রাম্প ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করেছেন। 

এটি হোয়াইট হাউসের জন্য একটি বড় ধরনের পরাজয়, কারণ বিষয়টি প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মূল কেন্দ্রে ছিল। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এটি সম্ভবত রক্ষণশীল সুপ্রিম কোর্টের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার। অথচ গত বছর এই একই আদালত অভিবাসন, স্বাধীন সংস্থার প্রধানদের বরখাস্ত করা এবং সরকারি ব্যয় হ্রাসের মতো ধারাবাহিক জরুরি আদেশগুলোতে বারবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষ নিয়েছিল।

আদালতের বিচারকদের সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত যার অনুপাত ৬-৩ লিখে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস বলেন, এই শুল্ক আরোপ আইনের সীমা লঙ্ঘন করেছে। তবে ইতোমধ্যে সংগৃহীত ১৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি শুল্কের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী হবে, সে বিষয়ে আদালত কিছু বলেনি।

আদালতের পক্ষে রবার্টস লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একতরফাভাবে অসীম পরিমাণ, মেয়াদ এবং পরিধির শুল্ক আরোপের অসাধারণ ক্ষমতা দাবি করেন। এই দাবি করা ক্ষমতার ব্যাপ্তি, ইতিহাস এবং সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটের আলোকে তাকে অবশ্যই এটি প্রয়োগ করার জন্য কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন দেখাতে হবে।

আদালত জানায়, ট্রাম্প যে জরুরি ক্ষমতার ওপর নির্ভর করার চেষ্টা করেছিলেন তা ‘পর্যাপ্ত নয়।

বিচারপতিদের মধ্যে অ্যামি কোনি ব্যারেট, নিল গোরসাচ রবার্টস ও অপর তিনজন লিবারেল বিচারপতির সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠের পক্ষে মত দিয়েছেন। অন্যদিকে বিচারপতি ক্ল্যারেন্স থমাস, স্যামুয়েল আলিটো ও ব্রেট কাভানা ভিন্নমত পোষণ করেন।

তার মতামতে রবার্টস প্রশাসনের সেই যুক্তিটি নাকচ করে দেন যেখানে বলা হয়েছিল যে, বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য শুল্ক ব্যবহারের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের আছে। গত বছরের মৌখিক যুক্তিতর্কের সময় বিষয়টি সামনে এসেছিল যখন ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, শুল্ক জারির অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের আছে।

রবার্টস লিখেছেন, কংগ্রেস যখন শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয়, তখন তা স্পষ্টভাবে এবং সতর্ক সীমাবদ্ধতার সঙ্গেই করে। এ ক্ষেত্রে তারা এর কোনটিই করেনি।

রবার্টস আরও লিখেছেন, অর্থনীতি বা পররাষ্ট্র বিষয়ে আমরা কোনো বিশেষ পারদর্শিতা দাবি করি না। আমরা কেবল সংবিধানের ৩য় অনুচ্ছেদের মাধ্যমে আমাদের অর্পিত সীমিত ভূমিকা পালন করছি। সেই ভূমিকা পালন করতে গিয়েই আমরা সিদ্ধান্ত দিচ্ছি যে, আইইইপিএ প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না।

ভোরের আকাশ/তা.কা


 

বিশ্বব্যাপীশুল্কট্রাম্প

শেয়ার করুন: