শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশ্রয়কেন্দ্রে ক্ষুধার্ত শিশুর কান্না শুনে স্তন্যপান করিয়ে আলোচনায় মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মাতৃত্বের অনুভূতি কোনো পদ বা মর্যাদার ফ্রেমে বাঁধা থাকে না—সেই সত্যকেই নতুন করে মনে করিয়ে দিলেন নেপালের মহিলা, শিশু ও প্রবীণ নাগরিক বিষয়ক মন্ত্রী সীতা বাদি। রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি শিশু হোম পরিদর্শনের সময় ১৭ দিন বয়সী এক ক্ষুধার্ত শিশুর কান্না শুনে তাকে কোলে তুলে স্তন্যপান করান তিনি। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন এই মন্ত্রী।

সম্প্রতি শিশু হোমটির অব্যবস্থাপনা, নোংরা পরিবেশ এবং বৃষ্টির পানিতে শিশুদের দুর্ভোগের খবর পেয়ে সেখানে পরিদর্শনে যান সীতা বাদি। হোমটিতে বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার হওয়া শিশুদের রাখা হয়। সেখানে থাকা অনেক শিশুই নানা রোগে আক্রান্ত বলে জানা গেছে।

পরিদর্শনের সময় ১৭ দিন বয়সী একটি শিশুকন্যা ক্ষুধায় একটানা কাঁদছিল। হোমে তখন বিকল্প দুধের ব্যবস্থা না থাকায় শিশুটিকে শান্ত করতে এগিয়ে যান মন্ত্রী। তিনি নোংরা বিছানায় বসেই শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে স্তন্যপান করান।

মায়ের স্পর্শ পেয়ে শিশুটি ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে যায় এবং একপর্যায়ে মন্ত্রীর কোলেই ঘুমিয়ে পড়ে। পরে সীতা বাদি জানান, শিশুটিকে কোলে নেওয়ার পর তার নিজের সন্তানের মতোই মনে হয়েছে। তিনি শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানান।

সীতা বাদির নিজের জীবনেও শিশু হোমের স্মৃতি রয়েছে। তিনিও একসময় এমন একটি হোমে বেড়ে উঠেছেন। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত হোমে থেকে পড়াশোনা করে পরবর্তী সময়ে দেশটির মন্ত্রীর দায়িত্বে পৌঁছান তিনি।

আরও পড়ুন

কেনিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধানসহ নিহত ৭

শিশু হোম পরিদর্শনের পর সেখানে থাকা ১৫ দিন থেকে দুই বছর বয়সী অন্তত ২০টি শিশুর সার্বিক যত্ন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন সীতা বাদি। পাশাপাশি হোমটির পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নতুন করে সাজানোরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পদমর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতার বাইরে গিয়ে অসহায় একটি শিশুর প্রতি মন্ত্রীর এমন মানবিক আচরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই ঘটনাটিকে মাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও মানবিকতার অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

ভোরের আকাশ/ইউএম

ক্ষুধার্ত শিশু, স্তন্যপান, আশ্রয়কেন্দ্রে,মন্ত্রী

শেয়ার করুন: