শিরোনাম
দেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে ৯ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের সুযোগগুপ্তদের সঙ্গে ফ্যাসিবাদের নতুন সখ্যতা প্রমাণিত: রিজভীমোংলা বন্দরকে নতুন অর্থনৈতিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রীসকল ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকারআমরা দেশের সব খুনের বিচার করতে চাই: আইনমন্ত্রীটেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহতনতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারেররাজধানীতে ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনাদেশের চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে ৯ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের সুযোগগুপ্তদের সঙ্গে ফ্যাসিবাদের নতুন সখ্যতা প্রমাণিত: রিজভীমোংলা বন্দরকে নতুন অর্থনৈতিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রীসকল ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকারআমরা দেশের সব খুনের বিচার করতে চাই: আইনমন্ত্রীটেকনাফের পাহাড়ে ৩ মরদেহ, উদ্ধারে যৌথবাহিনীর অভিযান অব্যাহতনতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারেররাজধানীতে ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা

ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের, দায় নিতে নারাজ ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের, দায় নিতে নারাজ ইসরায়েল
ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের, দায় নিতে নারাজ ইসরায়েল

ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর মূল সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ছিল, ইসরায়েলের নয়—জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সম্প্রতি এমন দাবি করে চলমান সংঘাতের দায় থেকে ইসরায়েলকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ইসরায়েল কেবল এই অভিযানে সমর্থন দিচ্ছে। ফলে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্ত দায় এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বর্তায়।

গত বুধবার (৪ নভেম্বর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ড্যানি ড্যানন। এসময় যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব বাড়ছে বলে উদ্বেগ জানান তিনি।

তবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন ড্যানন।

ড্যানন বলেন, ইসরায়েলবিরোধী রাজনীতিকদের একটি সোচ্চার সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কংগ্রেসের আলোচনায় ক্রমেই প্রভাব বিস্তার করছে। এতে ইসরায়েলের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হবে।

তবে, যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষে সমর্থন রয়েছে। তাই রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা সত্ত্বেও মিত্রদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে মিশিগান থেকে নির্বাচিত আইনপ্রণেতা আবদুল আল-সায়েদের সমালোচনাও করেন ড্যানন। নির্বাচনি প্রচারে ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করেছিলেন আল-সায়েদ।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তিনি ইসরায়েলের বিরোধিতা করতেন বলে দাবি করেন ড্যানন।

এদিকে, ইসরায়েলকে দেওয়া বার্ষিক সামরিক সহায়তা বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার প্রসঙ্গেও কথা বলেন ড্যানন।

তার মতে, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় যৌথ বিনিয়োগের বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে তৈরি আয়রন ডোমের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরনের সামরিক প্রযুক্তি উভয় দেশেরই উপকারে আসে।

অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার দায় নিতে নারাজ ড্যানন। এ যুদ্ধের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করা ঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি। কারণ, ইরানে সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ওয়াশিংটন নিজেই।

এসময় ড্যানন বলেন, ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ছিল, ইসরায়েলের নয়। ইসরায়েল শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সমর্থন জানিয়েছিল। সবকিছুর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করার প্রবণতাও নাকচ করেন তিনি।

এদিকে, ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য অনুকূল নয়, এমন কোনো চুক্তি করলেও নিজেদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে ইসরায়েল বলে জানান ড্যানন।

একই সঙ্গে, জাতিসংঘে ইসরায়েলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরান যুদ্ধকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের খারাপ ফলের অন্যতম কারণ বলেছেন।

এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, যুদ্ধের কারণে অনেক ভোটার সমর্থন সরিয়ে নিয়েছেন। ভোটাররা যুদ্ধের অবসান, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন চান বলে জানান তিনি।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: