শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কেরালার রাজনীতিতে চমক দেখালেন ফাতিমা থাহিলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৫ মে ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

ভারতের কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা থাহিলিয়া। প্রথম নারী হিসেবে ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লীগের (আইইউএমএল) বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ক্ষমতাসীন বাম জোটের এক শীর্ষ নেতাকে পরাজিত করে চমক সৃষ্টি করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কোজিকোড় জেলার পেরাম্বরা আসনে তিনি কেরালার শাসকদল বাম গণতান্ত্রিক জোটের (এলডিএফ) সমন্বয়ক ও সিপিআই (এম) প্রার্থী টিপি রামকৃষ্ণনকে পরাজিত করেন। ১৯৮০ সাল থেকে এই আসনটি সিপিআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

আইনজীবী ও কোজিকোড় পৌরসভার কাউন্সিলর ফাতিমা থাহিলিয়ার এই জয়কে রাজনৈতিক মহল বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছে। দীর্ঘদিন ধরে বামদের দখলে থাকা আসনে এই পরিবর্তন কেরালার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

নির্বাচন চলাকালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) অভিযোগ করেছিল, এলডিএফ তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক প্রচারণা চালিয়েছে। বিষয়টি তারা নির্বাচন কমিশনেও উত্থাপন করে।

আইইউএমএল থেকে মোট ২৭ প্রার্থীর মধ্যে ফাতিমা থাহিলিয়াসহ মাত্র দুইজন নারী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দলটির ইতিহাসে এর আগে মাত্র দুইজন নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও কেউই জয়ী হতে পারেননি।

ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে ফাতিমা থাহিলিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এমএসএফ) নারী সংগঠন ‘হারিতা’-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ২০১২ সালে গঠিত এই সংগঠন আইইউএমএল সমর্থক নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। তার নেতৃত্বে হারিতা কলেজ ক্যাম্পাসে আইইউএমএলের প্রভাব বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুন

হারলেন সোহম-সায়ন্তিকা, রুদ্রনীল-হিরণের বিজয়

পরবর্তীতে মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের কিছু শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে, যা ঘিরে দলে অভ্যন্তরীণ সংকট তৈরি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি চাপা দেওয়ার চেষ্টা হলে ফাতিমা থাহিলিয়া প্রকাশ্যে অবস্থান নেন। এর পরিণতিতে তাকে দলীয় পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং হারিতা সংগঠনও ভেঙে দেওয়া হয়।

বর্তমানে তিনি আইইউএমএলের যুব সংগঠন মুসলিম ইয়ুথ লিগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, থাহিলিয়া কেরালার রাজনীতিতে এক নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছেন— যিনি দলীয় কাঠামোর ভেতর থেকেও নারী অধিকার, অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র এবং সংস্কারের প্রশ্ন তুলতে দ্বিধা করেন না।

ভোরের আকাশ/আ.র

কেরালার রাজনীতি

শেয়ার করুন: