শিরোনাম
হত্যা করা হয়েছে তাহসিফ সাউরিকে, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত পুলিশমাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে তরুণদের আন্দোলনের আহ্বান রাষ্ট্রপতিররাজধানীবাসীর জন্য সুখবর, ৬ রুটে একক কোম্পানির বাস চালু হচ্ছে রবিবাররোববার নতুন কাঠামোয় বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরাফ্যাসিবাদ উত্থানের পথ বন্ধ করতে রাজনৈতিক ঐক্যই বেশি প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসুস্পষ্ট লঘুচাপ রূপ নিল নিম্নচাপেগাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণাআশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপহত্যা করা হয়েছে তাহসিফ সাউরিকে, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত পুলিশমাদক ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে তরুণদের আন্দোলনের আহ্বান রাষ্ট্রপতিররাজধানীবাসীর জন্য সুখবর, ৬ রুটে একক কোম্পানির বাস চালু হচ্ছে রবিবাররোববার নতুন কাঠামোয় বেতন পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরাফ্যাসিবাদ উত্থানের পথ বন্ধ করতে রাজনৈতিক ঐক্যই বেশি প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসুস্পষ্ট লঘুচাপ রূপ নিল নিম্নচাপেগাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণাআশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আবারও ঘেরাওয়ের চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আবারও ঘেরাওয়ের চেষ্টা
কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আবারও ঘেরাওয়ের চেষ্টা

ভারতের কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশন আবারও ঘেরাওয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) ‘বঙ্গসেনা’ নামের একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ব্যানারে এই প্রতিবাদ মিছিল ও ঘেরাও কর্মসূচি বের করা হয়।

তবে কলকাতা পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা এবং একাধিক ব্যারিকেডের কারণে বিক্ষোভকারীরা উপহাইকমিশনের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছাতে ব্যর্থ হন।

মিছিলটি শনিবার শিয়ালদহ স্টেশন এলাকা থেকে শুরু হয় এবং সংগঠনের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক এতে অংশ নেয়। মিছিলে অনেককেই গেরুয়া পোশাকে দেখা যায় এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে মিছিলটি পার্ক সার্কাসে অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের দিকে এগিয়ে যায়। উপহাইকমিশনের কাছাকাছি পৌঁছানোর আগেই কলকাতা পুলিশ ডাবল ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলটি আটকে দেয়।

বিক্ষোভকারীদের মিশনের মূল ফটক থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে থামিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সংগঠনের সদস্যরা।

সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আগে থেকেই মিশন চত্বর ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। বঙ্গসেনার নেতা সুভাষ মজুমদার বলেন, ‘আমরা ওই দেশে থাকতে পারছি না। নির্যাতন, গণহত্যা করে আমাদের ওই দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো যারা অবশিষ্ট আছে, তাদের ওপর প্রতিদিন অত্যাচার চলছে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠানো জরুরি। সেই কারণেই আমাদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি।’

উল্লেখ্য, চলতি অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সামনে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল। এর আগে ৩ অক্টোবর ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া এবং বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে একই ধরনের দাবিতে মিছিল হয়েছিল। 

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে ঘিরে একাধিকবার বিক্ষোভ হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা এবং শহরের স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখা কলকাতা পুলিশের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

শেয়ার করুন: