শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আফগান অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে তালেবানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র আপত্তি ও সতর্কবার্তা সত্ত্বেও আফগান অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তালেবান কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করছে ইউরোপীয় কমিশন। মূলত নিরাপত্তাজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের আফগানিস্তানে ফেরত পাঠাতেই এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলো তাদের স্বীকৃতি দেয়নি। তবে সম্প্রতি সুইডেনসহ বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশের অনুরোধে এই ‘কারিগরি পর্যায়ের’ বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র মার্কাস ল্যামার্ট জানান, যেসব আফগান নাগরিক ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য হুমকি, তাদের ফেরত পাঠানোই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই আলোচনার মানে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া নয়।

আরও পড়ুন

সৌদি পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ বাংলাদেশি হজযাত্রী

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, তালেবানের সঙ্গে এই ধরনের চুক্তি আফগান শরণার্থীদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ইউরোপীয় শরণার্থী পরিষদের (ইসিআরই) কর্মকর্তা রেশাদ জালালি বলেন, আফগানিস্তানে বর্তমানে নারীদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং মানুষের ওপর কঠোর বিধি-নিষেধ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে কাউকে সেখানে ফেরত পাঠানো মানে তাকে নির্যাতনের মুখে ঠেলে দেওয়া।

বর্তমানে আফগানিস্তান ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য মতে, দেশটির প্রায় ১৭ কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছে। একই সঙ্গে ইরান ও পাকিস্তান থেকেও হাজার হাজার আফগান নাগরিক প্রতিদিন নিজ দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছে। ইউরোপীয় আইনের অধীনে গুরুতর অপরাধী বা নিরাপত্তার জন্য হুমকি এমন ব্যক্তিদের নির্বাসিত করার সুযোগ থাকলেও, কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে তা কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন আলোচনার মাধ্যমে এই জট খোলার চেষ্টা করছে ইইউ।  সূত্র : রয়টার্স

ভোরের আকাশ/ইউএম

আফগান

শেয়ার করুন: