শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভিয়েতনাম যুদ্ধের ‘স্টাইল-কৌশল’ ব্যবহার করছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়কার ‘স্টাইল-কৌশল’ ইরান ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন বিশ্লেষক কেনিথ কাটজম্যান

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাটজম্যান বলেন, সামরিক শক্তিতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ নয়। ইরান সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি পাল্লা দিতে পারে না। তাই তারা গেরিলা ধাঁচের কৌশল ব্যবহার করছে, যা অনেকটা ভিয়েতনাম যুদ্ধে ‘ভিয়েত কং’ বাহিনীর ব্যবহৃত কৌশলের মতো।

কেনিথ কাটজম্যান বলেন, তেহরানের কৌশল হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে জনসমর্থন দুর্বল করা এবং মার্কিন প্রশাসনের ওপর চাপ তৈরি করা।

এই কৌশলের উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রে জনসমর্থন দুর্বল করা, প্রেসিডেন্টকে বিব্রত করা এবং মার্কিন জনগণকে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য হতাহতের বিষয়ে উদ্বিগ্ন করে তোলা।

কাটজম্যানের মতে, এই কৌশল কিছুটা কার্যকরও হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যতক্ষণ না গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে পারে, ততক্ষণ পরিস্থিতি এমনই থাকতে পারে।

তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল পুনরুদ্ধার এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় অগ্রাধিকার।

তবে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নৌ-এসকর্ট মিশন তাৎক্ষণিকভাবে শুরু করা নাও যেতে পারে।

কাটজম্যানের মতে, এসকর্ট মিশন ছাড়া অন্য উপায়েও প্রণালিটি খুলে দেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ইরানের বন্দর, নৌযান এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র আরও জোরালো বিমান হামলা চালাতে পারে। আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোকে আবারও ওই পথ ব্যবহার করতে আস্থা দিতে শেষ পর্যন্ত নৌবাহিনীর এসকর্ট মিশন প্রয়োজন হতে পারে।

ইরানের সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন দাবিও খারিজ করে কাটজম্যান বলেন, উন্নত পানির নিচের ড্রোন বা হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো যেসব দাবি ইরান করছে, সেগুলোর অনেকটাই সন্দেহের চোখে দেখা উচিত।

তিনি বলেন, ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে অনেক দাবি করে, কিন্তু এসব দাবির অনেকগুলোই সন্দেহের সঙ্গে দেখা উচিত।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত এবং বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যের কারণে প্রকৃত তথ্য নির্ধারণ করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

ভোরের আকাশ/আ.র

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ

শেয়ার করুন: