“পুতিন নয়, ইউরোপই হাঙ্গেরির জন্য বড় হুমকি”

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বলেছেন, তার দেশের জন্য রাশিয়ার তুলনায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বর্তমানে বেশি চাপ সৃষ্টি করছে। এপ্রিলের সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়া এক ভাষণে তিনি অভিযোগ করেন, ইইউ হাঙ্গেরির সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণে হস্তক্ষেপ করছে এবং তিনি এই চাপ থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে চান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
শনিবারের বার্ষিক ভাষণে অরবান বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন–কে ঘিরে অতিরিক্ত আতঙ্ক ছড়ানোর প্রয়োজন নেই; বরং তার মতে, তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক চাপ আসছে ব্রাসেলস থেকে। তিনি ইইউর নীতিকে হাঙ্গেরির অতীত সোভিয়েত শাসনের সময়ের সঙ্গে তুলনা করেন।
আগামী ১২ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিরোধী তিসা পার্টি ক্ষমতাসীন ফিদেস দলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে অরবান ‘বিদেশি প্রভাব’ কমানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
২০১০ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে অরবান অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতি নিয়েছেন এবং উদারপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সমালোচনা করে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অরবানকে শক্তিশালী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
অরবান এবারের নির্বাচনকে ‘যুদ্ধ না শান্তি’র প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী তিসা পার্টি ক্ষমতায় এলে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধে হাঙ্গেরি জড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি বিরোধী নেতা পিটার মাগইয়ারকে ‘ব্রাসেলসের ঘনিষ্ঠ’ বলে অভিযোগ করছেন।
অরবান এবারের নির্বাচনকে ‘যুদ্ধ না শান্তি’র প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী তিসা পার্টি ক্ষমতায় এলে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধে হাঙ্গেরি জড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি বিরোধী নেতা পিটার মাগইয়ারকে ‘ব্রাসেলসের ঘনিষ্ঠ’ বলে অভিযোগ করছেন।
ভোরের আকাশ/এনএস