শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরানের পরবর্তী লক্ষবস্তু মার্কিন প্রযুক্তি স্থাপনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশেষ শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর সম্ভাব্য নতুন লক্ষ্যবস্তুর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বড় মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানির অফিস ও অবকাঠামোর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি বুধবার (১১ মার্চ) ‘ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তু’ শিরোনামে তালিকাটি প্রকাশ করে। এতে গুগল, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া, আইবিএম, ওরাকল ও পালান্তির টেকনোলজিসের আঞ্চলিক অফিস, ক্লাউড সার্ভিস, ডাটা সেন্টার এবং ডেভেলপমেন্ট সেন্টারকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালিকায় বলা হয়েছে, আঞ্চলিক যুদ্ধ ধীরে ধীরে অবকাঠামোগত যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে, ফলে ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তুর পরিধিও সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই বিষয়ে সিএনএন সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

এর আগে আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি অবকাঠামোর ওপর অভিযান চালিয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত সপ্তাহে বাহরাইনে অবস্থিত একটি অ্যামাজন ডাটা সেন্টারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যামাজনের আরও দুটি স্থাপনাও ইরানি ড্রোনের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। যুদ্ধ বুধবার (১১ মার্চ) ১২তম দিনে প্রবেশ করেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানজুড়ে তীব্র বোমা হামলা চালাচ্ছে। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরানও।

আল জাজিরা জানায়, রাজধানী তেহরান-এ একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরান দাবি করেছে, যুদ্ধ শুরুর ১১ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রায় ১০ হাজার বেসামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছে, যেসব ঘটনায় অন্তত ১ হাজার ৩০০ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

একই সময়ে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘণ্টাগুলোতে তারা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করেছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। অন্যদিকে ইসরায়েল লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে। রাজধানী বৈরুত-এর কেন্দ্রস্থলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বোমা বর্ষণ করা হয়েছে।

এদিকে মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ১৬টি নিষ্ক্রিয় মাইন বসানোর জাহাজ ধ্বংস করেছে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে তেলের সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করলে এর জন্য ইরানকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। সূত্র: আলজাজিরা

ভোরের আকাশ/নি

ইরানমার্কিন প্রযুক্তি স্থাপনা

শেয়ার করুন: