শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মেডজুল খেজুরের বড় একটি অংশ আসে ইসরায়েল থেকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাস এলে খেজুরের চাহিদা বেড়ে যায় বিশ্বজুড়ে। বিশেষ করে মেডজুল খেজুর পুষ্টিগুণ ও স্বাদের কারণে সবার পছন্দের তালিকায় থাকে শীর্ষে। তবে এই জনপ্রিয় ফলটি ঘিরেই সামনে এসেছে নতুন তথ্য।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা, মিডল ইস্ট মনিটর, দ্য গার্ডিয়ানের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে বিক্রি হওয়া মেডজুল খেজুরের বড় একটি অংশ আসে ইসরায়েল থেকে, যার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উৎপাদিত হয় ফিলিস্তিনের দখলকৃত জমিতে।

জর্ডান সীমান্তবর্তী পশ্চিম তীরের জেরিকো এলাকায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা বড় আকারের খেজুরবাগান গড়ে তুলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ফিলিস্তিনি বিক্রেতাদের দাবি, এগুলো মূলত তাদের জমি। কিন্তু প্যাকেজিংয়ে কখনও ইসরায়েলি পণ্য, কখনও জর্ডান উপত্যকার পণ্য উল্লেখ করে উৎপাদনস্থল আড়াল করা হয়।

ইউরোপীয় আইন অনুযায়ী, দখলকৃত ভূমি থেকে উৎপাদিত পণ্যের উৎস স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।

তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী দেশ বা মুক্তবাণিজ্য অঞ্চলের মাধ্যমে পুনঃ প্যাকেট করে পণ্য ইউরোপে পাঠানো হয়, ফলে প্রকৃত উৎস চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক খেজুর বাজারের আকার ছিল ৩২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২৬ সালে তা বেড়ে ৩৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ ধরে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাজার ৫৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চল বছরে ৯০ লাখ টনের বেশি খেজুর উৎপাদন করে, যা বিশ্ববাজারের প্রায় ৮৫ শতাংশ।

প্রধান উৎপাদক দেশ তিউনিসিয়া, ইরান, ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, মিসর। মিসরের উৎপাদন ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন টনের বেশি।

তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল বছরে প্রায় ৩৫ হাজার টন খেজুর রপ্তানি করে। অথচ স্বীকৃত সীমার ভেতরে উৎপাদন প্রায় ৮ হাজার ৮০০ টন।

এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রশ্ন উঠেছে, অতিরিক্ত রপ্তানিকৃত অংশের বড় অংশ কি দখলকৃত জমি থেকে আসছে।

বিষয়টি ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নৈতিক, বাণিজ্যিক ও আইনি আলোচনাও বাড়ছে।

ভোরের আকাশ/নি. ব

মেডজুল খেজুর

শেয়ার করুন: