শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে ক্ষুধায় আরও এক শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৫, ১:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে ক্ষুধায় আরও এক শিশুর মৃত্যু
গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে ক্ষুধায় আরও এক শিশুর মৃত্যু

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অবরোধের কারণে বাড়তে থাকা মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২১ জুলাই) ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার বছর বয়সী শিশু রেজ্জান আবু জাহির অপুষ্টিজনিত জটিলতায় প্রাণ হারিয়েছে। তাকে গাজার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘদিনের অপুষ্টি ও অনাহার ছিল মৃত্যুর মূল কারণ।

ওয়াফা আরও জানিয়েছে, গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে শত শত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক চরম অপুষ্টি ও ক্ষুধায় ভুগছেন। অথচ এই মুহূর্তে হাসপাতালগুলোতে নেই পর্যাপ্ত বিছানা, ওষুধ বা চিকিৎসা সরঞ্জাম। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে।

বর্তমানে গাজায় প্রায় ১৭ হাজার শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত। অপুষ্টিজনিত সমস্যার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে শিশুরা। তারা চরম মানসিক চাপ, আতঙ্ক এবং স্মৃতিভ্রষ্টতা বা ট্রমার মতো জটিলতায় ভুগছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNRWA) আগেই সতর্ক করে বলেছিল, মার্চ থেকে জুনের মধ্যে মাত্র তিন মাসেই গাজায় পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

সংস্থাটি এই বিপর্যয়ের জন্য সরাসরি ইসরায়েলকে দায়ী করেছে। কারণ মার্চ মাস থেকে ইসরায়েল গাজার সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে এবং খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। শুরু থেকেই তারা শুধু বিমান ও স্থল হামলা চালায়নি, বরং “ক্ষুধা নীতি” অনুসরণ করে মানবিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে খাদ্য, চিকিৎসা ও বিশুদ্ধ পানির ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার "মানবিক বিপর্যয়" এবং "গণহত্যামূলক কৌশল" হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: