শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তীব্রগতির পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা আরও জোরদার করছে এবং দেশটিতে নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনার উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি বলেন, ইয়ংবিয়ন পারমাণবিক কেন্দ্রের পাঁচ মেগাওয়াট রিঅ্যাক্টর, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট এবং লাইট ওয়াটার রিঅ্যাক্টরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কার্যক্রম দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সামগ্রিক পারমাণবিক সক্ষমতার বিস্তারের দিকেই ইঙ্গিত করছে।

গ্রোসি আরও জানান, এসব লক্ষণ ইঙ্গিত দেয় যে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কয়েক ডজন ওয়ারহেড তৈরির সক্ষমতার সমান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়ংবিয়নের পাশাপাশি আরও একটি নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনা নির্মাণের ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে, যা স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমেও কিছুটা সমর্থিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের বহিষ্কারের পর থেকে উত্তর কোরিয়া-এর পারমাণবিক কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব না হলেও বিভিন্ন পরোক্ষ উপায়ে পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইয়ংবিয়ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনায় কার্যক্রম আগের তুলনায় দ্রুত গতিতে বাড়ছে, যা দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির বিস্তৃত রূপ নির্দেশ করে।

আইএইএ প্রধান সতর্ক করে বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়া কোনো রাষ্ট্রকে প্রকৃত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না, বরং বৈশ্বিক অস্ত্র বিস্তার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। একই সঙ্গে তিনি জানান, রাশিয়ার প্রযুক্তি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হচ্ছে, এমন কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি, যদিও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার চুক্তি রয়েছে এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

ভোরের আকাশ/এনএস

উত্তর কোরিয়াআন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা

শেয়ার করুন: