শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানে টানা বৃষ্টিতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৬৩ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৫, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাকিস্তানে টানা বৃষ্টিতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি  ৬৩ জনের
পাকিস্তানে টানা বৃষ্টিতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৬৩ জনের

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে টানা ভারী বর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও ২৯০ জন। বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির কারণে হতাহতের এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ)।

সংস্থার তথ্যমতে, অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ভবন ধসের ফলে। এ ছাড়া কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, কেউ পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন।

এনডিএমএ আরও জানায়, জুনের শেষ দিক থেকে পাকিস্তানজুড়ে টানা বর্ষণে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৮০ ছাড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাঞ্জাব প্রদেশে একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল কিংবা বিলম্বিত হয়েছে।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ বৃহস্পতিবার এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া বার্তায় জানিয়েছেন, বিভিন্ন জেলায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। তিনি জানান, “সরকারি সব সংস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।” পাশাপাশি জনগণকে নিরাপদে থাকার নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর চাকওয়াল, যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। সেখানকার ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে নৌকা ব্যবহার করা হচ্ছে।

পাঞ্জাব কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, আসন্ন সপ্তাহান্তেও ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। উদ্ধার তৎপরতার জন্য প্রদেশজুড়ে হাজারো কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

প্রাণহানিপাকিস্তান

শেয়ার করুন: