শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতে হিন্দু খামারিদের হাহাকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে কুরবানির ঈদ সামনে রেখে গবাদি পশুর হাট ও জবাই প্রক্রিয়ায় নতুন প্রশাসনিক কড়াকড়ি আরোপকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। 

এর প্রভাব পড়েছে পশু খামারিদের ওপর, বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের হিন্দু গরু খামারিরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ক্রেতা কমে যাওয়ায় রাজ্যের বিভিন্ন পশুর হাট কার্যত শূন্য হয়ে পড়েছে। 

খামারিদের অভিযোগ, তারা সারা বছর ধারদেনা করে গরু পালন করেন মূলত ঈদের মৌসুমে ভালো দামে বিক্রির আশায়। কিন্তু নতুন নিয়মকানুন ও প্রশাসনিক কড়াকড়ির কারণে অনেক ক্রেতা এখন হাটে আসতে অনাগ্রহী, কেউ কেউ আইনি জটিলতার ভয়ে পিছিয়ে যাচ্ছেন। 

ফলে পশু বিক্রি প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর এতে ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিক চাপ দ্রুত বাড়ছে। 

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না হলে গরু বা মহিষ জবাই করা যাবে না। জবাইয়ের আগে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পশুর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে গর্ভবতী পশু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া খোলা জায়গায় পশু জবাই নিষিদ্ধ করে শুধুমাত্র অনুমোদিত কসাইখানায় জবাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

আইন ভঙ্গ করলে জরিমানা ও কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। 

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মাঠপর্যায়ে গরুর সঠিক বয়স নির্ধারণ কীভাবে সম্ভব হবে, কারণ অধিকাংশ খামারির কাছে বয়স প্রমাণের কোনো নির্ভরযোগ্য কাগজপত্র থাকে না। 

আরও পড়ুন

মালদ্বীপে গুহা থেকে নিখোঁজ ৪ ইতালিয় পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

এতে প্রশাসনিক হয়রানির ঝুঁকি বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদসহ কয়েকটি জেলার হাটে দেখা গেছে, ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি উলে­খযোগ্যভাবে কমে গেছে। 

আইনি জটিলতার ভয়েই অনেকে হাটে আসছেন না বলে স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে। ফলে গবাদি পশু বিক্রির ওপর নির্ভরশীল বহু পরিবার এখন চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

ভোরের আকাশ/নি

ভারত

শেয়ার করুন: