শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাটির নিচে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও ইরান আবার মাটির নিচের সুরক্ষিত কারখানাগুলোতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি ও সংযোজনের কাজ শুরু করেছে। আগে থেকে মজুত থাকা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এসব ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের খোজির ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাসহ একাধিক সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে বর্তমানে তরল ও কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছে। নতুন করে হামলা এড়াতে তেহরান আরও ভূগর্ভস্থ সংযোজন কারখানা তৈরির চেষ্টা করছে বলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, তাদের সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করা। তবে ইরানের নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরুর খবর সেই দাবিকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

একদিকে ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার মজুতও কমে আসছে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তেহরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মিসাইল ডিফেন্স অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্সের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক তাল ইনবার এবং সিআইএর সাবেক বিশেষজ্ঞ জিম ল্যামসন জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর আগেই ইরান বিপুল পরিমাণ প্রস্তুত ওয়ারহেড, এয়ারফ্রেম ও গাইডেন্স সিস্টেম মজুত করেছিল। এসব উপাদান ব্যবহার করে তেহরান নতুন করে আরও কয়েক শ থেকে কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হতে পারে।

আরও পড়ুন

আগামী বছরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প উদ্বোধন হবে: পানি সম্পদমন্ত্রী

তবে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল দাবি করেছেন, ইরান এবং তাদের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পের প্রায় ৯০ শতাংশ ধ্বংস করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস হওয়ায় দেশটি সামরিকভাবে আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেবেন না বলেও তারা জানিয়েছেন।

নৌ-অবরোধ ও কাঁচামাল আমদানিতে প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইরান দ্রুত সুড়ঙ্গমুখ, সেতু ও সড়ক মেরামতের কাজ শেষ করেছে। কিংস কলেজ লন্ডন এবং প্যারিসের সায়েন্সেস পো-এর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইরানের বিস্তৃত সামরিক নেটওয়ার্কের কারণে দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও পুনর্নির্মাণের সক্ষমতা দ্রুত ফিরিয়ে আনতে পেরেছে। সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

ভোরের আকাশ/ইউএম

ইরানক্ষেপণাস্ত্র

শেয়ার করুন: