শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রোমানিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ শীর্ষ তালিকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য কাজের ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট প্রদান অব্যাহত রেখেছে রোমানিয়া। দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জন্য মোট ৮২ হাজার ১৮০টি ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন করা হয়েছে। রোমানিয়া সরকারের জেনারেল ইন্সপেক্টরেট ফর ইমিগ্রেশন (আইজিআই) গত ১১ জুন ইনফোমাইগ্রেন্টসকে ই-মেইলের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

আইজিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৫ হাজার ৪৯৬টি ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন নেপালের নাগরিকরা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, যেখানে দেশটির নাগরিকদের জন্য ১৩ হাজার ৬৯৩টি ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন করা হয়েছে।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৫ সালে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৮ হাজার ৩১৯টি ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন দিয়েছে রোমানিয়া। একই সময়ে ভারতের নাগরিকরা পেয়েছেন ৮ হাজার ৮২টি এবং পাকিস্তানের নাগরিকরা পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৯০টি ওয়ার্ক পারমিট।

আইজিআই জানিয়েছে, এই পরিসংখ্যানে এমন আবেদনকারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা ২০২৪ সালে আবেদন করলেও ২০২৫ সালে ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছেন।

ওয়ার্ক পারমিটের পাশাপাশি রোমানিয়ায় বৈধভাবে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় নাগরিকদের সংখ্যাও প্রকাশ করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করছিলেন ৮ হাজার ৬৩৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৮৯৫ জন কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিট পেয়েছেন। এছাড়া ৫০০ জন শিক্ষার্থী, ১৬৫ জন পারিবারিক পুনর্মিলনের আওতায়, ৬০ জন স্থায়ী রেসিডেন্স পারমিটধারী এবং অল্পসংখ্যক বাংলাদেশি অন্যান্য ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বা শরণার্থী কর্মসূচির আওতায়ও কয়েকজন বাংলাদেশি রয়েছেন।

একই সময়ে রোমানিয়ায় বসবাসরত নেপালি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৫৭ হাজার ৩৩০ জন, যা দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া শ্রীলঙ্কার ২৭ হাজার ৩৮০ জন, ভারতের ১৪ হাজার ৬১০ জন এবং পাকিস্তানের ৫ হাজার ২৬৫ জন নাগরিক রেসিডেন্স পারমিট নিয়ে দেশটিতে অবস্থান করছিলেন।

অভিবাসন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশীয় নাগরিকদের রোমানিয়ায় যাওয়ার প্রধান কারণ কর্মসংস্থান। কর্মভিত্তিক রেসিডেন্স পারমিটধারীদের মধ্যে রয়েছেন নেপালের ৫৬ হাজার ৭০০ জন, শ্রীলঙ্কার ২৬ হাজার ৬২০ জন, ভারতের ১৩ হাজার ১৮৫ জন, বাংলাদেশের ৭ হাজার ৮৯৫ জন এবং পাকিস্তানের ৪ হাজার ১৭৫ জন নাগরিক।

আরও পড়ুন

বন্ধুত্ব জোরদার করতে আসিয়ান জোটের সঙ্গে পুতিনের বৈঠক

এ ছাড়া পরিবার পুনর্মিলন, উচ্চশিক্ষা, স্থায়ী আবাসন এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় তুলনামূলক কমসংখ্যক দক্ষিণ এশীয় নাগরিক রোমানিয়ায় বসবাস করছেন।

আইজিআই জানিয়েছে, সংস্থাটি রোমানিয়ার অভিবাসন, আশ্রয় এবং বিদেশি নাগরিকদের একীভূতকরণ-সংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে। তবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তাদের নয়; এ কাজ পরিচালনা করে রোমানিয়ান বর্ডার পুলিশ।

ভোরের আকাশ/সু.পা

রোমানিয়া

শেয়ার করুন: