শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফিলিস্তিনে ১০০ এলাকা দখলের পরিকল্পনা ইসরায়েলি সেটলার সংগঠনগুলোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন এরিয়া–এ-এর প্রায় ১০০টি কৌশলগত স্থান দখলের পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী (সেটলার) সংগঠনগুলো—এমন দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম। সোমবার (২৯ জুন) প্রকাশিত ইসরায়েল হায়োম পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেটলার ফার্মস অ্যাসোসিয়েশন এবং হাভাত (ফার্মস) ফোরাম যৌথভাবে এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এর লক্ষ্য পশ্চিম তীরের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় মৌলিক পরিবর্তন আনা। পরিকল্পনায় একটি নির্দিষ্ট 'এক্সিকিউশন ডে' (Execution Day) নির্ধারণ করে পশ্চিম তীরের প্রায় ১০০টি কৌশলগত স্থানে বাহিনী মোতায়েনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, পরিকল্পনাটি ইসরায়েল সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত তালিকায় পশ্চিম তীরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ফিলিস্তিনি শহরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

যেসব এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, সেগুলো এরিয়া–এ-এর অন্তর্ভুক্ত। ১৯৯৫ সালের অসলো-২ চুক্তি অনুযায়ী এই অঞ্চল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পূর্ণ বেসামরিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী পশ্চিম তীরকে তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে—এরিয়া–এ, এরিয়া–বি এবং এরিয়া–সি।

এর মধ্যে এরিয়া–এ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পূর্ণ প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণাধীন। এরিয়া–বি-তে বেসামরিক প্রশাসন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করলেও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ থাকে ইসরায়েলের হাতে। আর এরিয়া–সি সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে, যা পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও)-সংশ্লিষ্ট অ্যান্টি-ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট কমিটির প্রধান মুয়াইয়্যাদ শাবান এই পরিকল্পনাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে অভিহিত করেছেন। তার ভাষ্য, এটি কেবল সেটলার গোষ্ঠীগুলোর বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়; বরং ইসরায়েলের ডানপন্থি সরকারগুলোর দীর্ঘদিনের নীতিরই প্রতিফলন।

আরও পড়ুন

ভারতীয় ভিসা আবেদনে ‘টাইম স্লট’ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

এদিকে, পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন শহর ও জনপদে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার, ঘটনাস্থলেই জিজ্ঞাসাবাদ এবং বাড়িঘরে তল্লাশি চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় ১ হাজার ১৭৩ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৬৬৬ জন এবং গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রায় ২৩ হাজার মানুষ।

ভোরের আকাশ/সু.পা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা

শেয়ার করুন: