শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসলামাবাদ চুক্তির আড়ালে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার জন্য নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়কে কূটনীতির বদলে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত ও সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রস্তুতিতে কাজে লাগিয়েছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে নতুন করে হামলা চালানোর প্রস্তুতি হিসেবে সময় নিচ্ছে এমন আশঙ্কা করছে তেহরান। এ কারণে গত দুই মাসে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে কট্টরপন্থিদের বসিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে ইসলামাবাদ চুক্তির আওতায় সমঝোতার স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী নির্ধারিত ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা সোমবার শেষ হচ্ছে। তবে এ সময়ে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি; বরং কয়েক দফা নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুপক্ষ।

ইরানি ও আরব কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলেছে, আরব গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে একটি কৌশলগত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। তাদের ধারণা, ইরান এখন তার বাহিনীকে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত করার জন্য প্রস্তুত করছে।

তেহরানভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক মোহাম্মদ হাসান সাঙ্গতারাশ পত্রিকাটিকে বলেন, ইরানে ব্যাপকভাবে এমন ধারণা রয়েছে যে, মূল যুদ্ধ এখনো শুরু হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইরাক, ইয়েমেন ও লেবাননে থাকা মিত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে আঞ্চলিক সংঘাত বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে।

জুলাইয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের উত্তেজনা বাড়ার আগে আইআরজিসি ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সৌদি বন্দর ও জ্বালানি স্থাপনার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা দিয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কৌশল নিয়েও তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়।

২০ জুলাই হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেয়। এর জবাবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের হোদেইদা বন্দরে হুথিদের সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এরপর হুতিরা সৌদির তেল স্থাপনায় হামলার দাবি করে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালালে পাল্টা হামলার হুমকি দিয়ে আরব দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোর বিস্তারিত লক্ষ্য তালিকাও আইআরজিসি সরবরাহ করেছে বলে কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে জার্নাল।

সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন হতো। সংঘাতের পর সেখানে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কয়েক দফা বেড়েছে।

তবে সংকট নিরসনে পরোক্ষ যোগাযোগ এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে ইরান জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি পথ নির্ধারণে সমঝোতা হয়েছে এবং জলপথটি যৌথভাবে ব্যবস্থাপনার বিষয়ে দুই দেশ চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আরও পড়ুন

ড. নাসিমুল গনিকে আরও এক বছরের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব নিয়োগ

প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দিতে ইরান যুদ্ধের ক্ষতিপূরণসহ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। ফলে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগ চললেও দ্রুত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনো স্পষ্ট নয়।

সূত্র : দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

ভোরের আকাশ/এনএস

সামরিক শক্তিইরানইসলামাবাদ চুক্তি

শেয়ার করুন: