শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ জুলাই ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান মঙ্গলবার আঙ্কারার প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত জানান। দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ট্রাম্প তুরস্ক সফরে যান। 

বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, তুরস্কের ওপর আরোপিত CAATSA (কাটসা) (কাউন্টারিং আমেরিকাস অ্যাডভার্সারিজ থ্রু স্যাংশনস অ্যাক্ট) আইনের আওতায় দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।

দুই নেতা, যারা প্রায়ই একে অপরকে "আমার বন্ধু" বলে সম্বোধন করেন, প্রথমে আঙ্কারা বিমানবন্দরের রানওয়েতে সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা বিমানবন্দরের অতিথিশালায় যান এবং সেখান থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে পৌঁছান।

প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাতে সেলজুক থেকে অটোমান সাম্রাজ্য পর্যন্ত তুর্কি রাষ্ট্রগুলোর ঐতিহাসিক পোশাক পরিহিত সম্মানরক্ষী দল অংশ নেয়। দুই দফা প্রেসিডেন্ট থাকাকালে এটি ট্রাম্পের তুরস্কে প্রথম সফর। একই সঙ্গে জো বাইডেন প্রশাসনের অবসানের পর কোনো দায়িত্বে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটিই প্রথম তুরস্ক সফর। গত বছর এরদোয়ান হোয়াইট হাউস সফর করেছিলেন। সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথাও বলেছেন।

তবে ট্রাম্পের জন্য তুরস্ক অপরিচিত নয়। ইস্তাম্বুলের কেন্দ্রে তাঁর ব্র্যান্ডের নামে নির্মিত সুউচ্চ ভবন রয়েছে। ২০১২ সালে সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী এরদোয়ানের সঙ্গে তিনি ওই টাওয়ারগুলোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের উদ্দেশে দুই নেতা পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন।

এরদোয়ান বলেন, আমার মূল্যবান বন্ধু আজ আঙ্কারায় এসেছেন, এতে আমরা নিজেদের আরও শক্তিশালী মনে করছি।

জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমরা খুব ভালো বন্ধু। আপনি একজন সম্মানিত নেতা।

তিনি আরও বলেন, আমরা বাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতা এবং ইরান নিয়ে আলোচনা করব।

ন্যাটো সম্পর্কে অসন্তোষ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, আমি ন্যাটো নিয়ে খুবই হতাশ ছিলাম। তারা আমাদের পাশে থাকবে কি না, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। তারা যদি আমাদের পাশে না-ই থাকে, তাহলে আমরা কেন শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছি?

আরও পড়ুন

মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

তুরস্কের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে পুনরায় অন্তর্ভুক্তির প্রসঙ্গে এরদোয়ান বলেন, আমি ট্রাম্পকে তাঁর কথার  অবিচল মানুষ হিসেবে বিশ্বাস করি।

ট্রাম্প বলেন, তুরস্ক আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চেষ্টাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেই তারা ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, তুরস্কের ওপর বহু বছর আগে আরোপিত CAATSA (কাটসা) নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।

ভোরের আকাশ/এম

এরদোয়ান

শেয়ার করুন: