শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেনকে ন্যাটো সমর্থিত 'আগ্রাসী শক্তি' বললেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের ঐতিহাসিক বিজয় স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউক্রেন সংঘাতকে একটি 'ন্যায্য যুদ্ধ' হিসেবে অভিহিত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মস্কোর রেড স্কোয়ারে বিজয় দিবসের ভাষণে তিনি অভিযোগ করেন, ইউক্রেন বর্তমানে ন্যাটো জোটের সরাসরি সমর্থনপুষ্ট একটি আগ্রাসী শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

প্রায় দুই দশকের মধ্যে এই প্রথমবার কুচকাওয়াজে কোনো সামরিক যানের উপস্থিতি দেখা যায়নি। কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে শত শত সেনা সদস্য রেড স্কোয়ারে মার্চ করেন। উল্লেখযোগ্য যে, এই অনুষ্ঠানটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেন তিন দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

আরও পড়ুন

রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত

পুতিন তাঁর ভাষণের শুরুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং বর্তমান ইউক্রেনীয় সংঘাতকে সেই ঐতিহাসিক লড়াইয়ের সঙ্গেই তুলনা করেন। তিনি দাবি করেন, ন্যাটোর মদতপুষ্ট শক্তির বিরুদ্ধে লড়লেও রুশ সেনারা প্রতিনিয়ত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সময় তিনি রাশিয়ার বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সামরিক কর্মীদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় অবদানের জন্য বিশেষ প্রশংসা করেন এবং দেশের ভবিষ্যৎ জনগণের ওপরই নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেন।

এবারের অনুষ্ঠানে বিদেশি নেতাদের উপস্থিতি গত বছরের তুলনায় কম ছিল। মঞ্চে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লাওসের প্রেসিডেন্ট ও মালয়েশিয়ার রাজা। কামানের গুলি ও সামরিক ব্যান্ডের সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে কুচকাওয়াজ শেষ হওয়ার পর রুশ টেলিভিশনে যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা সেনাদের দৃশ্য প্রচার করা হয়। 

ভোরের আকাশ/নি

ইউক্রেন

শেয়ার করুন: