শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে আসছে স্পেসএক্সে’র শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ জুন ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

এবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে মঙ্গল গ্রহে মানব বসতির স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করা ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। প্রায় ১ লাখ ৭৭ হাজার কোটি ডলারের মূল্যায়ন নিয়ে কোম্পানিটির সম্ভাব্য আইপিও ওয়াল স্ট্রিটে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

স্পেসএক্স মার্কিন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) বুধবার (৩ জুন)  একটি নথি জমা দিয়েছে। নথিতে জানানো হয়েছে, কোম্পানিটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) আনতে চায়। এর মাধ্যমে তারা ৭৫০০ কোটি ডলার তুলতে চায় এবং পুরো কোম্পানির মূল্যায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার কোটি ডলার।

কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ১৩৫ ডলার। বাজারে মোট ৫৫ কোটি ৫০ লাখের বেশি শেয়ার ছাড়া হবে। আগামী ১২ জুনের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।

যদি এই আইপিও সফল হয়, তাহলে এটি সৌদি আরামকোর ২০১৯ সালের ২৫৬০ কোটি ডলারের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়বে।

২০০২ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে ইলন মাস্ক স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠা করেন। তখন তার একটাই লক্ষ্য ছিল মানুষকে মঙ্গল গ্রহে নিয়ে গিয়ে বসতি স্থাপন করা।

স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠার আগে মাস্ক তার অনলাইন ব্যবসা জিপ২ বিক্রি করে বড় অঙ্কের টাকা পান। এরপর তিনি পেপ্যাল প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরে ইবে কিনে নেয়। সেই টাকা দিয়েই তিনি মহাকাশ অভিযানের স্বপ্ন দেখা শুরু করেন।

শুরুর দিকে স্পেসএক্স বারবার ব্যর্থ হয় এবং বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। কিন্তু ২০০৮ সালে ফ্যালকন-১ রকেট সফলভাবে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে কোম্পানিটি নতুন করে ঘুরে দাঁড়ায়। এরপর তারা আংশিক পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট তৈরি করে এবং নাসার সঙ্গে বড় বড় চুক্তি পায়।

আজ স্পেসএক্স বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী মহাকাশ প্রতিষ্ঠান। এটি নাসার প্রধান ঠিকাদার, স্টারলিংকের মাধ্যমে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে এবং স্টারশিপের মতো অত্যাধুনিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।

আরও পড়ুন

হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধের শর্তে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি

স্পেসএক্সই প্রথম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) মালামাল পাঠায় এবং পরে মানুষও পাঠায়। বর্তমানে তারা সম্পূর্ণ পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্টারশিপ তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে।

এই আইপিওর মাধ্যমে মাস্কের সাম্রাজ্য আরও বড় আকারে বাজারে আসতে যাচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, বিনিয়োগকারীরা এই স্বপ্নের কোম্পানিকে কতটা মূল্যায়ন করেন। সূত্র: ফ্রান্স ২৪

ভোরের আকাশ/সু.পা

মার্কিন পুঁজিবাজার

শেয়ার করুন: