শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজার ৭০ শতাংশ দখলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকার ৭০ শতাংশ এলাকা দখলে নিতে নিজ সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনার কথা জানান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) চ্যানেল ১২-এ প্রচারিত ভিডিওতে নেতানিয়াহুকে বলতে শোনা যায়, এই মুহূর্তে আমরা গাজা উপত্যকার ৬০ শতাংশ এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছি। আমার নির্দেশ হলো এটিকে ৭০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া।

এসময় উপস্থিত একজন পুরো গাজা দখলের আহ্বান জানালে নেতানিয়াহু বলেন, আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। আগে ৭০ শতাংশ। তবে পুরো গাজা দখলের সম্ভাবনা তিনি নাকচ করেননি বলেও জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরাইল।

এর আগে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোকে যে মানচিত্র দেয়, তাতে দেখা যায় তারা ‘ইয়েলো লাইন’-এর বাইরেও অতিরিক্ত ১১ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরের যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যস্থতাকারী যুদ্ধবিরতিতে এই সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে গাজার প্রায় ৬৪ শতাংশ এলাকা ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, যা আগে ছিল ৫৩ শতাংশ।

ইসরায়েলি দখলের কারণে বর্তমানে গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় ফিলিস্তিনিরা প্রবেশ করতে পারছেন না। নতুন করে আরও এলাকা দখল হলে প্রায় ২০ লাখ মানুষকে আরও ছোট পরিসরে মানবেতর পরিস্থিতিতে বসবাস করতে হবে।

যদিও গত বছর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, তবুও গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। আল জাজিরার হিসাব অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৪০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা ওসিএইচএর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো গাদাগাদি করে তাঁবু, স্কুল কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে বসবাস করছে। বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গাজার বহু এলাকায় এখনও বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও গুলির ঘটনা ঘটছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করেছে।

গত সপ্তাহে ‘বোর্ড অব পিস ফর গাজা’র উচ্চ প্রতিনিধি নিকোলাই ম্লাদেনভ সতর্ক করে বলেন, গাজায় বর্তমান সংকট স্থায়ী রূপ নিতে পারে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি হামাসকে নিরস্ত্র করতে এবং ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতির শর্ত মানতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন

ইসরাইলি বাহিনীর ওপর একদিনে ৩৭ হামলা

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েল যে সামরিক অভিযান শুরু করে, তাতে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজার ৭৭৫ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

সংঘাত পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলার গতি আরও বেড়েছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

নেতানিয়াহু

শেয়ার করুন: