শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী পেল নেদারল্যান্ডস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

নেদারল্যান্ডসে সোমবার নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ৩৮ বছর বয়সী মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদ রব জেটেন দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন এবং তিনি প্রথম প্রকাশ্য সমকামী প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা পেয়েছেন।

অক্টোবরের নির্বাচনে জেটেন উল্লেখযোগ্য জয় লাভ করেন। তিনি অল্প ব্যবধানে ইসলামবিরোধী কট্টরপন্থী ফ্রিডম পার্টি (পিভিভি), যা গির্ট উইল্ডার্সের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়, পরাজিত করে ক্ষমতায় আসেন।

পিভিভি আগের জোট সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আগাম নির্বাচন ডাকা হয়। নেদারল্যান্ডসের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ডানপন্থী ওই সরকারটি মাত্র ১১ মাস স্থায়ী হয়েছিল।

জেটেনের ডি৬৬ দল মধ্য-ডানপন্থী সিডিএ এবং উদারপন্থী ভিভিডি দলের সঙ্গে জোট গঠন করেছে। তবে ৬৬টি আসন নিয়ে তারা পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ৯ আসন পিছিয়ে থাকবে।

দলগুলো ১১৭ দিনে জোট গঠন করতে সক্ষম হয়েছে, যা আগের সরকার গঠনে লেগেছিল ২২৩ দিন।

নির্বাচনে জয়লাভের পর জেটেন বলেন, ‘নিজ দেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা নিয়ে প্রচারণা চালালে জনতাবাদী আন্দোলনকে পরাজিত করা সম্ভব।’

প্রচারণাকালে জেটেন বলেন, তিনি ‘নেদারল্যান্ডসকে আবার ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে ফিরিয়ে আনতে চান, কারণ ইউরোপীয় সহযোগিতা ছাড়া আমরা কিছুই নই।’

জানুয়ারিতে প্রকাশিত ইশতেহারে তিন দল ইউক্রেনের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার করে এবং ন্যাটো ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণে দৃঢ় থাকার ঘোষণা দেয়।

যদিও নতুন সরকার আগেরটির মতো এতটা কট্টর-ডানপন্থী নয়, তবু এতে ‘ডানপন্থী স্বাক্ষর’ রয়ে গেছে বলে লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যাপক সারা দে ল্যাঞ্জ এএফপিকে জানান।

তিনি বলেন, ‘জোট সরকার বিনিয়োগে ঘাটতি বাড়ানোর পরিবর্তে বাজেট কাটছাঁটের পথ বেছে নিয়েছে’ এবং ‘নতুন সরকারের অভিবাসন পরিকল্পনা আগেরটির সঙ্গে উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিকতা বহন করছে।’

দলগুলো পরিবার পুনর্মিলনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়মসহ অভিবাসন দমন অভিযান জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সূত্র : এএফপি, বিবিসি

ভোরের আকাশ/এনএস

নেদারল্যান্ডসপ্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন: