শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জনসংখ্যা সীমিত করার উদ্যোগে সুইজারল্যান্ডে গণভোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের দেশ সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা সীমিত রাখার বিষয়ে আজ রোববার (১৪ জুন) একটি বিতর্কিত গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রস্তাবটি পাস হলে দেশটির মোট জনসংখ্যা ১ কোটির মধ্যে সীমিত রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। উগ্রডানপন্থি সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি) এই উদ্যোগে সমর্থন জানিয়েছে।

এই গণভোটের মূল লক্ষ্য দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা এবং আবাসন, গণপরিবহন, সরকারি সেবা ও পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ কমানো। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০২ সালে সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭৩ লাখ, যা বর্তমানে বেড়ে ৯১ লাখে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ২৭ শতাংশই বিদেশি নাগরিক।

দেশটির নাগরিকদের মধ্যে বাড়তি ভাড়া, গণপরিবহনে চাপ এবং স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, এই উদ্যোগ মূলত অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ।

সুইস সরকার, বড় রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলো এই গণভোটের বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, প্রস্তাবটি পাস হলে হাসপাতাল, হোটেলসহ বিভিন্ন খাতে শ্রমিক সংকট দেখা দিতে পারে।

এছাড়া আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোটটির সঙ্গে তাদের সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিরোধীরা প্রচারণায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবি ব্যবহার করে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। তাদের দাবি, এই গণভোট পাস হলে সুইজারল্যান্ড ধীরে ধীরে ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবে বিক্ষোভ

সুইজারল্যান্ডে গণভোট আয়োজনের জন্য সাধারণত অন্তত এক লাখ নাগরিকের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।

সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৫২ শতাংশ ভোটার এই প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, ৪৫ শতাংশ সমর্থন দিয়েছেন, আর উল্লেখযোগ্য একটি অংশ এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সূত্র: বিবিসি

ভোরের আকাশ/সু.পা

সুইজারল্যান্ডে গণভোট

শেয়ার করুন: