শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আগ্নেয়গিরি থেকে বায়ুমণ্ডলে স্বর্ণকণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আগ্নেয়গিরি থেকে কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ ছড়িয়ে পড়ছে বায়ুমণ্ডলে। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এমন তথ্যই দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, অ্যান্টার্কটিকার গভীরে অবস্থিত মাউন্ট এরেবাস পৃথিবীর অন্যান্য আগ্নেয়গিরির তুলনায় একেবারেই ব্যতিক্রমী। এই আগ্নেয়গিরি থেকেই প্রতিবছর বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ছে কোটি টাকার সমমূল্যের স্বর্ণকণা। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের দক্ষিণতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউন্ট এরেবাস বায়ুমণ্ডলে বিশুদ্ধ সোনার সূক্ষ্ম স্ফটিক নির্গত করে। জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্সে ১৯৯১ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, এই আগ্নেয়গিরি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮০ গ্রাম আণুবীক্ষণিক সোনার কণা নির্গত হয়।

বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, এর দৈনিক মূল্য প্রায় ৬ হাজার মার্কিন ডলার। বছরে যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ লাখ ডলারেরও বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪ কোটি টাকারও বেশি।

ভৌগোলিকভাবে মাউন্ট এরেবাস দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ১,৩৫০ কিলোমিটার দূরে রস সাগরের রস দ্বীপে অবস্থিত। আগ্নেয়গিরিটি থেকে অবিরাম গ্যাস ও লাভা নির্গত হয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব গ্যাসের সঙ্গে সোনার অতি সূক্ষ্ম কণা যুক্ত হয়ে বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে, যা প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভেসে থাকতে পারে এবং পরে অ্যান্টার্কটিকার বরফে জমা হয়।

ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করে গবেষকেরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এই সোনার কণাগুলো সাধারণ ধূলিকণা নয়; বরং সুগঠিত স্ফটিক আকারে বিদ্যমান। কোনো কোনো কণার ব্যাস ৬০ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আগ্নেয়গিরির গ্যাসে সোনার উপস্থিতি বিরল হলেও একেবারে অস্বাভাবিক নয়। বিশ্বের হাওয়াইয়ের কিলাউয়া, ইতালির মাউন্ট এটনা, আলাস্কার অগাস্টিন আগ্নেয়গিরি এবং মেক্সিকোর এল চিচনসহ আরও কয়েকটি আগ্নেয়গিরিতেও অল্প পরিমাণে সোনা পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যায় বলা হয়, ক্লোরিন বা সালফারসমৃদ্ধ যৌগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গরম গ্যাসের মাধ্যমে সোনা ওপরের দিকে উঠে আসে। গ্যাস ঠান্ডা হলে সোনা আলাদা হয়ে স্ফটিকে পরিণত হয়।

তবে মাউন্ট এরেবাসের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখনও পুরোপুরি ব্যাখ্যাতীত। গবেষকদের মতে, এ বিষয়ে দুটি সম্ভাব্য তত্ত্ব রয়েছে।

প্রথমত, ক্লোরিনসমৃদ্ধ গ্যাস বাতাসে ঠান্ডা হওয়ার সময় সরাসরি সোনার স্ফটিক তৈরি হতে পারে। তবে এতে সোনার ঘনত্ব অত্যন্ত কম হওয়ায় প্রক্রিয়াটি জটিল।

আরও পড়ুন

সিন্ধুর পানিতে বাধা দিলে ‘হাত কেটে ফেলব’ : পাকিস্তানি মন্ত্রী

দ্বিতীয়ত, আগ্নেয়গিরির লাভা হ্রদের উপরিভাগে প্রথমে সোনার কণা ধীরে ধীরে তৈরি হয়, পরে গ্যাসের মাধ্যমে তা বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে।

গবেষকেরা বলছেন, এই আবিষ্কারের তিন দশকেরও বেশি সময় পার হলেও মাউন্ট এরেবাস থেকে সোনার নির্গমনের সঠিক ব্যাখ্যা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, ফলে বিষয়টি আজও রহস্যাবৃত। সূত্র: এনডিটিভি

আগ্নেয়গিরি থেকে বায়ুমণ্ডলে স্বর্ণকণা

মাউন্ট এরেবাস

শেয়ার করুন: