শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ: যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১ মে ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এরই মধ্যে ‘শেষ হয়ে গেছে’ বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, গত এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির ফলেই এই সংঘাতের সমাপ্তি ঘটেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের এই অভিনব ব্যাখ্যা দিয়ে আসলে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা এড়াতে চাইছে হোয়াইট হাউজ।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মার্কিন সিনেটে শুনানির সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেন, যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটেছে।

এই যুক্তিতে প্রশাসন বলছে, ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ অনুযায়ী ৬০ দিনের বেশি সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য কংগ্রেসের যে আনুষ্ঠানিক অনুমতির প্রয়োজন ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তার আর দরকার নেই। আইন অনুযায়ী ১ মে ট্রাম্পের সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসন দাবি করছে, যুদ্ধবিরতি চলায় সেই আইনি ‘ঘড়ি’ এখন বন্ধ।

প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর থেকে মার্কিন বাহিনী ও ইরানের মধ্যে আর কোনো পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেনি।

তবে মুখে যুদ্ধের সমাপ্তির কথা বললেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো থমথমে। ইরান এখনো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, অন্যদিকে মার্কিন নৌবাহিনীও সেখানে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে।

আরও পড়ুন

ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

ট্রাম্প প্রশাসনের এই ব্যাখ্যাকে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘বেআইনি’ বলে অভিহিত করেছেন অনেক ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা। রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স স্পষ্ট করে বলেছেন, কংগ্রেসের অনুমোদনের সময়সীমা কোনো পরামর্শ নয়, বরং এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা। অন্যদিকে, ব্রেনান সেন্টারের বিশেষজ্ঞ ক্যাথরিন ইয়ান এব্রাইটও এই যুক্তির কড়া সমালোচনা করেছেন।

এদিকে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক কর্মকর্তা রিচার্ড গোল্ডবার্গ নতুন নামে অভিযান চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ‘অপারেশন এপিক প্যাসেজ’ নাম প্রস্তাব করেছেন, যা মূলত পূর্ববর্তী অভিযানের দ্বিতীয় পর্ব হিসেবে কাজ করবে। গোল্ডবার্গের মতে, একে ‘আত্মরক্ষামূলক মিশন’ হিসেবে চালিয়ে নিলে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই হরমুজ প্রণালিতে অভিযান অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। 

ভোরের আকাশ/এসএইচ

যুদ্ধবিরতি

শেয়ার করুন: