শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নারী চিকিৎসকের ৯ শিশুসন্তান নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৫, ৫:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নারী চিকিৎসকের ৯ শিশুসন্তান নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নারী চিকিৎসকের ৯ শিশুসন্তান নিহত

গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ফিলিস্তিনি চিকিৎসক ডা. আলা আল-নাজ্জারের নয়টি শিশুসন্তান। হামলায় আহত হয়েছেন তার স্বামী ডা. হামদি ও ১১ বছর বয়সী ছেলে আদম, যিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নাসের হাসপাতালের সঙ্গে কাজ করা ব্রিটিশ সার্জন গ্রায়েম গ্রুম বলেন, “যে নারী শিশুদের চিকিৎসায় জীবন উৎসর্গ করেছেন, তিনি এক মিসাইল হামলায় নিজের প্রায় সব সন্তান হারিয়েছেন—এটা অকল্পনীয় বর্বরতা।”

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা খান ইউনিসে ‘সন্দেহভাজনদের’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং বেসামরিক হতাহতের ঘটনা তদন্তাধীন।

হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে পোড়া শিশুদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যার ভিডিও প্রকাশ করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে ৮ শিশুর মৃত্যুর কথা জানানো হলেও পরে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯-এ।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নিহতদের স্বজন ইউসুফ আল-নাজ্জার বলেন, “আর না! আমাদের দয়া করুন! আমরা ক্লান্ত, ক্ষুধার্ত ও গৃহহীন।”

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, গাজার জনগণ এখন যুদ্ধের সবচেয়ে নিষ্ঠুর অধ্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। খাদ্য, পানি ও জ্বালানির তীব্র সংকটে মানবিক বিপর্যয় চলছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫৩,৯০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ১৬,৫০০ শিশু রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: