শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরান আগের চেয়ে আরও দ্রুত গতিতে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চারগুলো আধুনিকায়ন ও পুনরায় সজ্জিত করছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার মাজিদ মুসাভি নুর নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।

আল জাজিরা জানিয়েছে, সাক্ষাৎকারটি প্রচারের সময় মুসাভির একটি সম্পাদিত ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে তাকে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি পরিদর্শন করতে দেখা গেছে।

মুসাভি বলেন, ইরানের মতো করে শত্রুরা এই যুদ্ধবিরতির সময়ে তাদের গোলাবারুদের মজুত পুনর্গঠন করতে সক্ষম হয়নি। যুদ্ধবিরতির সময়ে আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার প্যাডগুলো আধুনিকায়ন ও পুনরায় সজ্জিত করার গতি যুদ্ধ শুরু আগের চেয়ে অনেক বেশি।

এদিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আমির হাতামি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষায় আমৃত্যু লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। রোববার (১৯ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি ঘোষণা করেন, ইরানের সেনাবাহিনী শত্রুর যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই করতে প্রস্তুত।

আমির হাতামি জানান, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি শাখা শত্রুর যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ও সিদ্ধান্তমূলক জবাব দেওয়ার জন্য সর্বদা সজাগ রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও উন্নত ও আধুনিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ইরানি সেনারা উৎসর্গের মানসিকতা এবং জিহাদি চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবিচল রয়েছে।

ভোরের আকাশ/নি
 

যুদ্ধবিরতি

শেয়ার করুন: