শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গার্মেন্টসকর্মী থেকে প্রেসিডেন্ট: দক্ষিণ কোরিয়ায় বিজয়ী লি জে-মিয়ং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ জুন ২০২৫, ৬:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
গার্মেন্টসকর্মী থেকে প্রেসিডেন্ট: দক্ষিণ কোরিয়ায় বিজয়ী লি জে-মিয়ং
গার্মেন্টসকর্মী থেকে প্রেসিডেন্ট: দক্ষিণ কোরিয়ায় বিজয়ী লি জে-মিয়ং

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী লি জে-মিয়ং। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পিপল পাওয়ার পার্টির কিম মুন-সু পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ী লিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে কিম বলেন, “জনগণের রায়কে আমি শ্রদ্ধা করি। লি জে-মিয়ংকে তার বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই।”

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে লি অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও কোরীয় উপদ্বীপে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “আমি দেশ পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তি নিশ্চিত করতে কাজ করব।”

লি জে-মিয়ংয়ের জীবনপথ ছিল চমকপ্রদ। একসময় গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করা এই নেতা তিন বছর আগে নির্বাচনে পরাজিত হন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলাও চলমান। তবে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থা অর্জন করে তিনি এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন।

২০২৪ সালে এক সমাবেশে তিনি এক আততায়ীর হামলার শিকার হন। গলায় ছুরি চালিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তবে সেখান থেকে বেঁচে ফিরে লি আরও দৃঢ়তা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন এবং জনগণের সমর্থন আদায় করেন।

রাজনীতির মঞ্চে লির উত্থান শুরু হয় সিউংনামের মেয়র হিসেবে। সেখানেই তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম কুকুর মাংস বাজার বন্ধ করে দেন। পরে গিয়ংগি প্রদেশের গভর্নর হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, দেশ সংকটে থাকাকালীন লির নেতৃত্ব দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য সময়োপযোগী এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত হতে পারে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: