শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের ট্যারিফ অবৈধ, সুপ্রিম কোর্টে যাবে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১:০২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ট্রাম্পের ট্যারিফ অবৈধ, সুপ্রিম কোর্টে যাবে মামলা
ট্রাম্পের ট্যারিফ অবৈধ, সুপ্রিম কোর্টে যাবে মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আপিল আদালত রায় দিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ’ বা পাল্টা শুল্কের ক্ষমতা অতিরিক্ত ও অবৈধ ব্যবহার করেছেন। আদালত জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতের মে মাসের রায়কে তারা বহাল রেখেছেন, যেখানে ট্রাম্পের ‘জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন’ (IEEPA) ভিত্তিক যুক্তি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।

তবে আপিল আদালত শুল্কগুলো অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত কার্যকর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং সরকারকে আপিল করার সুযোগ দিয়েছেন। ফলে বিষয়টি প্রায় নিশ্চিতভাবে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছাবে।

আপিল আদালত বলেছে, ট্রাম্প যেভাবে বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপ করেছেন, তা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার বাইরে। ৭-৪ ভোটে বিচারকরা সিদ্ধান্তের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আদালত মন্তব্য করেছে, IEEPA মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এত বিস্তৃত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয়নি, বরং কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।

রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, এটি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং দেশের জন্য ‘বিপর্যয়কর’। তিনি উল্লেখ করেছেন, সুপ্রিম কোর্টের সহায়তায় তিনি শুল্ক ব্যবহার চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধনী ও শক্তিশালী’ করার চেষ্টা করবেন।

১৯৭৭ সালের এই আইন প্রেসিডেন্টকে জাতীয় জরুরি অবস্থা বা বিদেশি হুমকির বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেয়। বারাক ওবামা ও জো বাইডেনও আগে এই আইন ব্যবহার করেছেন, যেমন রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে।

তবে আপিল আদালত বলেছে, এই আইন শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে সীমাহীন ক্ষমতা প্রদান করেনি। ট্রাম্প শুল্ক নীতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে দেখিয়েছিলেন।

আপিল আদালতের রায় মার্কিন অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারে এর প্রভাব পড়তে পারে। শুল্কের মাধ্যমে যা আয় হয়েছে, তা ফেরত দিতে হতে পারে এবং ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে উঠবে।

মামলা সুপ্রিম কোর্টে যাবে। সেখানে রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠতা ট্রাম্পের পক্ষে যেতে পারে। তবে অতীত উদাহরণ দেখায়, সুপ্রিম কোর্ট কখনও কখনও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করে রেখেছে, যেমন বাইডেন প্রশাসনের সময়।

সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বাণিজ্য পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব পড়বে। বহাল থাকলে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বাতিল হলে তিনি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

ভোরের আকাশ//হ.র

মার্কিন শুল্ক ইস্যুডোনাল্ড ট্রাম্প

শেয়ার করুন: