শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিমা প্রভাব উপেক্ষা করে চীনের দিকে ঝুঁকছে ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পশ্চিমা প্রভাব উপেক্ষা করে চীনের দিকে ঝুঁকছে ব্রাজিল
পশ্চিমা প্রভাব উপেক্ষা করে চীনের দিকে ঝুঁকছে ব্রাজিল

যুক্তরাষ্ট্রের নানামুখী কূটনৈতিক চাপের মধ্যেও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার পথে এগোচ্ছে ব্রাজিল। প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা প্রশাসন চীন-বিরোধী অভ্যন্তরীণ বাধা শিথিল করার পর উচ্চপর্যায়ের উপদেষ্টাদের বেইজিংয়ে পাঠিয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে নীরব কৌশলগত সহযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই উদ্যোগকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে গিয়ে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। লুলা প্রশাসন পশ্চিমা চাপের পরিবর্তে সার্বভৌম সিদ্ধান্ত ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনার ওপর জোর দিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এই সহযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহন খাত। চীনা প্রতিষ্ঠান BYD ব্রাজিলে বিনিয়োগ বাড়িয়ে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সবুজ জ্বালানি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তবে শ্রম সংক্রান্ত কিছু ইস্যুতে প্রতিষ্ঠানটিকে সাময়িকভাবে কালো তালিকাভুক্ত করার ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হলেও ব্রাজিল সরকার দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখে।

আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ না হলেও দুই দেশের মধ্যে কাঠামোগত বোঝাপড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে—চীনা বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং কৌশলগত অর্থনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।

যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে ব্রাজিলের অর্থনৈতিক নীতিতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর বিপরীতে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ব্রাজিলকে তুলনামূলকভাবে স্বাধীন অবস্থান বজায় রাখতে সহায়তা করছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের সঙ্গে এই সম্পর্ক ব্রাজিলের জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কৌশলেও প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের ওঠানামার প্রেক্ষাপটে ব্রাজিল নতুন কূটনৈতিক ভারসাম্য গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

লুলা প্রশাসনের লক্ষ্য ব্রাজিলকে একটি উদীয়মান বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং BRICS জোটকে আরও শক্তিশালী করা। বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশল বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার দিকে ব্রাজিলের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করছে। (সূত্র: সিজিটিএন)

ভোরের আকাশ/সু.পা

চীন ব্রাজিল সম্পর্ক

শেয়ার করুন: